মহারণ কাউন্টডাউন, আজ মুখোমুখি স্পেন-ইতালি

Update: June 30, 2012 21:44 IST

ইউরোর ফাইনালে রবিবাসরীয় রাতে মুখোমুখি স্পেন ও ইতালি। ফেভারিট জার্মানিকে পর্যুদস্ত করা ইতালিকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা পোল্যান্ড-ইউক্রেন জুড়ে।বিশেষ করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বালোটেলি। ইউরোতে সেমিফাইনালের আগে বালোটেলি যত না গোল করেছেন, হেলায় গোল মিস করেছেন তার থেকে অনেক বেশি। কিন্তু দ্বিতীয় সেমিফাইনালের পর থেকে কিং কিং বালোটেলি হলেন সুপার মারিও। আর এই বালোটেলিই রাতের ঘুম উড়িয়ে নিয়েছে ফ্যাব্রেগাস-ইনিয়েস্তাদের। ফাইনালে স্পেন ফেভারিট। স্প্যানিশ টিকিটাকা ফুটবলের জগত জোড়া খ্যাতিও। এখনও পর্যন্ত ধারাবিহাকিভাবে ভাল পারফর্ম করা স্পেনও কিন্তু অবাক জার্মানির বিরুদ্ধে ইতালির পারফরম্যান্স দেখে। কোচ ডেলবস্কের কাছে আজুরি-বাহিনী হয়ে উঠছেন বিপদসঙ্কেত। আর প্র্যানডেলির স্ট্র্যাটেজি হয়ে উঠছে তাঁর চিন্তা। তবুও পিরলো-বালোটেলি সমৃদ্ধ ইতালিকে আটকাতে প্রস্তুত তারকাখচিত স্পেন।


অন্যদিকে, বিশ্বফুটবলে বিরল নজিরের সামনে স্পেন। রবিবার কিয়েভে ইতালিকে হারাতে পারলেই বিশ্ব ফুটবলের প্রথম দেশ হিসাবে তিনটে টানা বড় টুর্নামেন্ট জিতবেন ক্যাসিয়াসরা। ১৯৭৬-এ এই রেকর্ড করার সুযোগ ছিল ততকালীন পশ্চিম জার্মানির সামনে। কিন্তু সেবার ইউরোর ফাইনালে হারতে হয়েছিল তাদের। ২০০৮-এ সাল থেকে বিশ্বফুটবলে স্প্যানিশ আর্মাডার দাপট শুরু। সেবছর অ্যারাগোনেসের কোচিংয়ে ইউরো জেতেন জ্যাভি, ইনিয়েস্তারা। দু`বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় তারা। এবারের ইউরোতেও ফাইনালে উঠেছে দেল বস্কে-র স্পেন। ফুটবল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রবিবার যদি স্পেন ইউরো চ্যাম্পিয়ন হয়, তাহলে তাদের ফুটবল বিশ্বের সর্বকালের সেরা দল হিসাবে গণ্য করা হবে।



Post Your Comment

Total Comments:1

spain hobe champian

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।