ইভিটিজিংয়ের প্রতিবাদ, হামলার শিকার প্রতিবাদী

Update: January 12, 2013 20:45 IST

ইভিটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় ফের হামলার ঘটনা ঘটল বারাসতে। মারধরে গুরুতর আহত এক যুবককে ভর্তি করাতে হল হাসপাতালে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।

আজ দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছে বারাসত থানার বামুনগাছি এলাকায়। ওই এলাকার একটি বেসরকারি সংস্থার মহিলাকর্মীদের অভিযোগ, কাজে যাওয়ার পথে প্রায়ই তাঁদের উত্যক্ত করত এলাকার কয়েকজন যুবক। আজ সংস্থার এক মহিলাকর্মীকে লক্ষ্য করে কটূক্তি করে এক যুবক। এরপরেই তিনি  সহকর্মীদের ডেকে এনে প্রতিবাদ জানান। তখনই ওই কর্মীদের ঝাঁপিয়ে পড়ে অভিযুক্ত যুবক এবং তার সঙ্গীরা।

মারধরে গুরুতর আহত হন কারখানার এক কর্মী। তাঁকে বারাসত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারীদের বাধা দিতে গিয়ে আহত হন অভিযোগকারীণীও। প্রাথমিক চিকিত্‍সার পর তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

Post Your Comment

Total Comments:5

ইভ-টিজিং ! কোনও আদুরে ছেলেমানুষের কৌতুক নয় ! এটা অপরাধমূলক সামাজিক নোংরামি ! নারী নির্যাতন ও শ্লীলতা-হানী !! ঘরে, বাইরে সর্বত্র নারী নিগ্রহ বন্ধ কর! আর চুপ করে থাকা নয়... প্রতিবাদ কর !

ইভ-টিজিং ! কোনও আদুরে ছেলেমানুষের কৌতুক নয় ! এটা অপরাধমূলক সামাজিক নোংরামি ! নারী নির্যাতন ও শ্লীলতা-হানী !! ঘরে, বাইরে সর্বত্র নারী নিগ্রহ বন্ধ কর! আর চুপ করে থাকা নয়... প্রতিবাদ কর !

BARASAT ER HERO MLA EKHON KOTHAI? LECTURE DICHCHEN NA MAHILA DER KI POSHAK PORTE HOBE? EI SHOB USELESS LOKDER JANNA I AJ SHAMAJER AI HAL. E DER LATHI MERE TARAN NOILE KAPALE DUKHKHA ACHE ARO. MATHA THEKE PAER NOKH SHOB SHAMAN.AI SHOB GUNDARA EDER ASHRITO. ERA POLICE, PROSASHAN SHOB KICHUKE CORRUPT KORE DIECHE. NOW COMMON MAN HAS TO FIGHT FOR THE DIGNITY OF WOMEN-ALONE.

BARASAT ER HERO MLA EKHON KOTHAI? LECTURE DICHCHEN NA MAHILA DER KI POSHAK PORTE HOBE? EI SHOB USELESS LOKDER JANNA I AJ SHAMAJER AI HAL. E DER LATHI MERE TARAN NOILE KAPALE DUKHKHA ACHE ARO. MATHA THEKE PAER NOKH SHOB SHAMAN.AI SHOB GUNDARA EDER ASHRITO. ERA POLICE, PROSASHAN SHOB KICHUKE CORRUPT KORE DIECHE. NOW COMMON MAN HAS TO FIGHT FOR THE DIGNITY OF WOMEN-ALONE.

ঘরে, বাইরে সর্বত্র নারী নিগ্রহ বন্ধ কর! আর চুপ করে থাকা নয়... প্রতিবাদ কর !

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।