এক্সপেরিয়েন্সড হাবি অন ডিমান্ড

Update: November 22, 2012 18:44 IST

এখনও সইফ-করিনার বিয়ের হ্যাং কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলিউড। তার মধ্যেই কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে বিদ্যার বিয়ের। একজন বিয়ে করেছেন নবাব পুত্রকে। অন্যজন উচ্চপদস্থ মিডিয়া পার্সনকে। একজন শাশুড়ির শারারায় মাল্যাদান করেছেন, তো অন্যজন গাঁটছড়া বাঁধবেন ট্রাডিশনাল মাদ্রাজি সিল্কে। দুজনের বিয়ের মধ্যে আকাশপাতাল ফারাক থাকলেও দুজনেই কিন্তু বিয়ে করছেন বলিউডি প্রথা মেনে। বলিউডি প্রথা অনুযায়ী বরাবরই প্রথম সারির অভিনেত্রীরা মন দিয়েছেন দোজবরদের। ব্যতিক্রম হল না এবারও। মধুবালা থেকে বিদ্যা, সকলেই মনের মানুষ খুঁজে পেয়েছেন বিয়ের ব্যাপারে সো কলড `পোড় খাওয়া` পুরুষদের মধ্যেই।

মধুবালা- `চলতি কা নাম গাড়ি`র সেটে কিশোর কুমারের প্রেমে পড়েছিলেন মধুবালা। কিশোর কুমার তখন অভিনেত্রী রুমা ঘোষের(গুহঠাকুরতা) স্বামী। দুছর পর রুমাকে ডিভোর্স দিয়ে মধুবালাকে বিয়ে করেছিলেন কিশোর কুমার।

মীনা কুমারি- প্রেম করে নিজের থেকে ১৫ বছরের বড় পরিচালক কমল আমরোহিকে বিয়ে করেছিলেন মীনা কুমারি। কমল আমরোহি তার আগেই বিবাহিত ছিলেন।

হেমামালিনী- বলিউডের সবথেকে আলোচিত দ্বিতীয় বিয়ে বোধহয় হেমামালিনী-ধর্মেন্দ্রর বিয়ে। ড্রিমগার্লের প্রেমে পড়ে স্ত্রী ও দুই ছেলে নিয়ে ভরা সংসার ছেড়ে বেরিয়ে এসে তাঁকে বিয়ে করেন ধর্মেন্দ্র।

হেলেন- সেলিম খানকে বিয়ে করেও চিরকাল আলাদা বাড়িতে থেকেছেন হেলেন। তবে স্বামীর প্রথম পক্ষের সন্তানদের কাছে টেনে নিয়ে হেলেনই দেশের `মোস্ট সেলিব্রেটেড স্টেমমম`।

স্মিতা পাতিল- ফেমিনিস্ট অ্যাক্টিভিস্ট স্মিতা বিবাহিত রাজ বব্বরের সঙ্গে প্রেম করে তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছিলেন। বিয়ের পরই অতি নারীবাদি সংগঠন তাঁকে `ঘরভাঙানি` তকমায় চিহ্নিত করে দেয়।

শাবানা আজমি- হানি ইরানির সঙ্গে বিচ্ছেদের পর শাবানা আজমির প্রেমে পড়েন জাভেদ আখতার। ১৯৮৪ সালে বিয়ে হয় দুজনের। এই মুহূর্তে ভারতের অন্যতম সেরা জুটির তালিকায় প্রথম পাঁচে থাকবেনই জাভেদ-শাবানা।
শ্রীদেবী- লক্ষ লক্ষ হৃদয়ভঙ্গ করে ১৯৯৬ সালে প্রযোজক বনি কপুরকে বিয়ে করেন বলিউডের চাঁদনি। তার ঠিক আগেই প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় বনির।

করিশমা কপুর
- অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরই শিল্পপতি সঞ্জয় কপুরকে বিয়ে করেন করিশমা। সঞ্জয় তার আগেই বিবাহিত ছিলেন। যদিও সঞ্জয়ের সঙ্গে করিশমার বিয়ে কোনওদিনই সুখের হয়নি।

মহিমা চৌধুরি- প্রথম সারির অভিনেত্রী না হলেও বিয়ে করেছেন বলিউডি প্রথা মেনেই। ৬ বছর আগে লাস ভেগাসে চুপিসাড়ে আর্কিটেক্ট ববি মুখার্জিকে বিয়ে করেন মহিমা। তাঁদের একমাত্র মেয়ে ও ববির আগের পক্ষের ছেলেকে নিয়েই ববি-মহিমার সংসার।
লারা দত্ত- গত বছরই প্রথম স্ত্রী শ্বেতা জয়শঙ্করকে ডিভোর্স দিয়ে লারা দত্তকে বিয়ে করেছেন মহেশ ভূপতি।

করিনা কপুর
- বলিউডের মোস্ট রিসেন্ট সেকেন্ড ম্যারেজ। প্রথম স্ত্রী অমৃতা সিংয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের ৮ বছর পর মাত্র একমাস আগে করিনা কপুরকে বিয়ে করলেন সইফ।

বিদ্যা বালন- বলিউড এখন তৈরি হচ্ছে আরও একটা দ্বিতীয় থুড়ি তৃতীয় বিয়ের জন্য। ডিসেম্বরেই ইউটিভি ডিজনির সিইও সিদ্ধার্থ রয় কপুরকে বিয়ে করছেন বিদ্যা। বিদ্যার প্রথম হলেও সিদ্ধার্থের এটা তৃতীয় বিয়ে।

এবছর পর্যন্ত গল্পো এই পর্যন্তই। জোর খবর সামনের বছরের গোড়াতেই নাকি আদিত্য চোপড়াকে বিয়ে করতে চলছেন রানি মুখার্জি। তা যদি সত্যি হয় তাহলে নি:সন্দেহে রানিও জায়গা করে নেবেন এই তালিকায়।





Post Your Comment

Total Comments:3

ara ki amdrk dkte pi na nki

Rani puro dhose geche!! sharukh & amir or puro juice nie nieche!!bechara aditya!!

abhigyota jindabad

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।