ফেসবুকে হ্যাকার হানা

Update: February 16, 2013 15:56 IST

হ্যাকারদের নিশানায় স্যোশাল নেটওয়ার্ক জায়ান্ট ফেসবুক। তবে এখনও কোনও তথ্য চুরি যায়নি বলেই জানিয়েছেন ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

সংস্থাটি জানিয়েছে সম্প্রতি এক অত্যাধুনিক হ্যাকিং এর চেষ্টা ধরা পড়েছে ফেসবুকের সিকিউরিটি সিসটেমে। সংস্থার কয়েকজন কর্মচারী একটি মোবাইল নির্মাণকারী সংস্থার সাইটে যাওয়ার সময়েই ফেসবুক হ্যাকারদের খপ্পরে পড়ে।

ফক্স নিউজ সূত্রে জানানো হয়েছে কেবলমাত্র ফেসবুক নয়, আরও বেশ কিছু সংস্থার সাইটও হ্যাকারদের খপ্পরে পড়েছে।

সম্প্রতি হ্যাক হয় মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটার। তার জেরে প্রায় আড়াই লক্ষ ইউজারদের নাম ও ইমেল আইডি হ্যাকারদের হাতে চলে আসে।

Post Your Comment

Total Comments:2

Let these hackers be punished not with Cyber Laws but with Indian Penal Code,where from the judges can found the capital punishment for these criminals are incessantly outraging the modesty of our privacy and sometimes they become able to rape us by hacking our secrecy. So do not show any leniency to them.Let them be lingered in the jail first.

Let these hackers be punished not with Cyber Laws but with Indian Penal Code,where from the judges can found the capital punishment for these criminals are incessantly outraging the modesty of our privacy and sometimes they become able to rape us by hacking our secrecy. So do not show any leniency to them.Let them be lingered in the jail first.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।