রাজ্যসভাতেও জয়ী এফডিআই

Update: December 7, 2012 15:50 IST

খুচরো ব্যবসায়ে বিদেশি লগ্নিতে আর কোনও বাধা রইল না।  লোকসভার পর রাজ্যসভাতেও এফডিআই বিরোধিতার প্রস্তাব পরাস্ত হল। তবে প্রস্তাবের পক্ষে ও বিপক্ষে ঠিক কতগুলি ভোট পড়েছে তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অস্পষ্টতা। দ্বিতীয়বার গণনার পর জানানো হয়, প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছে ১২৩টি। বিপক্ষে পড়েছে ১০২টি ভোট। যদিও সরকারপক্ষের দরকার ছিল ১১৭টি ভোট। চারজন নির্দল সাংসদ সরকারের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। ভোটদানে বিরত থেকেছেন ১৯ জন সাংসদ। পূর্ব ঘোষণামতো বহুজন সমাজ পার্টি সরকারপক্ষেই ভোট দিয়েছে। ভোটাভুটি শুরুর ঠিক আগে ওয়াকআউট করেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদরা। তবে কোন পক্ষে কত ভোট তা নিয়ে অস্পষ্টতা এখনও কাটেনি।

সংখ্যা নিয়ে অস্পষ্টতা স্বত্বেও এসপি, বিএসপির বদান্যতায় রাজ্যসভাতেও শেষ পর্যন্ত জয়ী উইপিএ-২ সরকার। গতকাল মায়াবতীর সমর্থনের আশ্বাসের পর আজ রাজ্যসভায় ভোটাভুটি শুরু হওয়ার আগে সপার ৯ জন সাংসদ ওয়াকয়াউট করেন।

এই ৯ সাংসদ ও মনোনীত সাংসদ সচিন তেন্ডুলকরের অনুপস্থিতির ফলে ম্যাজিক ফিগার ১২৩ থেকে কমে দাঁড়ায় ১১৮। কক্ষে মোট ২১২ জন সাংসদের ভোট নথিভুক্ত হয়। তার মধ্যে ১২৩ জন সাংসদ এফডিআই এর পক্ষে ভোট দেন। বিপক্ষে ভোট দেন ১০২ জন সাংসদ।

গত মঙ্গলবার দীর্ঘ বিতর্কের পর লোকসভায় ভোটাভুটিতে জয়ী হয় সরকার পক্ষ। এর পর গতকাল এবং আজ রাজ্যসভায় এফডি আই ইস্যু নিয়ে বিতর্কের পর ভোটাভুটিতে খারিজ হয়ে গেল এফডিআই বিরোধী প্রস্তাব।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।