বিশ্বসেরার কাউন্টডাউন শুরু, এগিয়ে মেসিই

Update: January 7, 2013 22:34 IST

ইতিহাসের সামনে লিওনেল মেসি। বিশ্বের প্রথম ফুটবলার হিসাবে টানা চারবার ব্যালন ডি অর জয়ের হাতছানি আর্জেন্টিনীয় সুপারস্টারের সামনে। মেসিকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছেন রিয়ালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো আর বার্সেলোনার ইনিয়েস্তা। আর কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। সোমবার রাতেই জুরিখে বিশ্বসেরা ফুটবলারের নাম ঘোষণা করতে চলেছে বিশ্বফুটবলের সর্বময় সংস্থা ফিফা। বিশ্বসেরার লড়াইয়ে আছেন বর্তমান প্রজন্মের তিন কিংবদন্তি লিওনেল মেসি,ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো আর আন্দ্রে ইনিয়েস্তা। তবে ফুটবল বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন,ব্যালন ডি অরের লড়াই মূলত সীমাবদ্ধ থাকবে বার্সেলোনা আর রিয়ালের দুই তারকা ফুটবলার লিও মেসি আর রোনাল্ডোর মধ্যে।বিশ্বফুটবলের প্রথম ফুটবলার হিসাবে টানা চারবার বিশ্বের সেরা ফুটবলার হওয়ার হাতছানি আর্জেন্টিনীয় সুপারস্টারের সামনে।

তবে নিজের গোল বা রেকর্ডের থেকেও দলের জয়কেই প্রাধান্য দিচ্ছেন মেসি। বিশ্বরেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে মেসির পরিষ্কার বক্তব্য ব্যক্তিগত রেকর্ডের থেকে স্প্যানিশ কাপ,লা লিগা,চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বার্সা কোচ টিটোও ব্যালন ডি অর পাওয়ার জন্য বাজি ধরছেন লিও-উপরই। মেসির পরই বিশেষজ্ঞদের বাজি রিয়াল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো।

২০০৮ বিশ্বসেরা ফুটবলার রোনাল্ডোর মতে,ব্যালন ডি অর পেলে অবশ্যই তিনি খুশি হবেন,তবে না পেলেও তাঁর মাথার উপর আকাশ ভেঙে পড়বে না । মেসি-রোনাল্ডোর মত হাইপ্রোফাইল তারকার সঙ্গে লড়াইযে আছেন কিছুটা লো প্রোফাইল আন্দ্রে ইনিয়েস্তা। বার্সায় তাঁর সতীর্থ ইনিয়েস্তার জন্য গলা ফাটাচ্ছেন স্বয়ং মেসি। বিশ্বফুটবলের সেরা তারকার মতে,যদি ইনিয়েস্তা জেতেন,তাহলে যোগ্য ফুটবলারের হাতেই উঠবে বিশ্বসেরার পুরস্কার। সব দেশের কোচ-অধিনায়ক আর সাংবাদিকদের ভোটের ভিত্তিতে বেছে নেওযা হবে বিশ্বের সেরা ফুটবলারকে।এখন থেকেই কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। গত তিন বছরের মত আবারও মঞ্চ মাতাবেন মেসি,নাকি আর্জেন্টিনীয় সুপারস্টারকে টেক্কা দেবেন রোনাল্ডো বা ইনিয়েস্তা। সেই উত্তরের  অপেক্ষায় অগণিত ফুটবলপ্রেমী।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।