ভাঙচুড়ের দায়ে মামলা দায়ের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে

Update: February 8, 2013 14:31 IST

মুর্শিদাবাদে জেলাশাসকের বাংলোয় ভাঙচুরের ঘটনায় কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর রঞ্জন চৌধুরী সহ পাঁচ থেকে সাতজন কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে সুয়োমোটো এফআইআর করল পুলিস। জেলাশাসকের দফতরের তরফে কোনও অভিযোগ করা হয়নি বলেই জানিয়েছেন এসপি হুমায়ন কবীর। ঘটনার বিস্তারিত প্রমাণ হিসেবে বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমগুলির কাছে ভিডিও ফুটেজ চাওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

গতকাল ডেপুটেশন না দিতে পেরে বহরমপুরে জেলাশাসকের বাংলোয় ভাঙচুর চালিয়ে ছিল কংগ্রেস কর্মীরা। পুলিসি সন্ত্রাসের অভিযোগে বৃহস্পতিবার জেলাশাসকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ-অবস্থান শুরু করে কংগ্রেস। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরী।  এরপর জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দিতে যায় কংগ্রেসের প্রতিনিধিদল।  

দফতরে জেলা শাসককে না পেয়ে বিক্ষোভ-অবস্থান  বন্ধ রেখে মিছিল করে জেলাশাসকের বাংলোয় পৌঁছয় কংগ্রেস কর্মীরা। ভিতরে ঢুকে শুরু হয় ব্যাপক ভাঙচুর। তাঁদের নিরস্ত করার চেষ্টা করেন অধীর চৌধুরী। এসব ঘটনার বেশ কিছুক্ষণ পর ডেপুটেশন নেন জেলাশাসক। 






Post Your Comment

Total Comments:3

achaa অধীর চৌধুরী ki valo lok...

ja hoyeche bhalo hoyeche ek jon minstere deputation dite ja chen and d.m. asbena na eta kokhuno mana jabe na

at first we should condemn the DM of murshidabad. firstly why he he refused to take deputation for protest against the custodial death of a congress man.there fore the mob became furious and i would like to thanks mr adhir choudhury he tried his best to control the mob.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।