নয়াদিল্লিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

Update: November 19, 2012 11:47 IST

নয়াদিল্লিতে ভয়ানক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। সোমবার সকাল ৬.২০ টা নাগাদ নয়াদিল্লির কন্নট হিমালয়া হাউসে বিধ্বংসী আগুনে আতঙ্ক ছডি়য়ে পড়ে। কস্তুরবা গাঁন্ধী মার্গের হিমালয় হাউসে আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে দমকলের ৩০ টি ইঞ্জিন কাজ করছে। প্রথমে আগুন জ্বলতে দেখা যায় বিল্ডিংয়ের চার তলায়। এরপর ধীরে ধীরে সেই আগুন গোটা বিল্ডিংয়ে ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনাস্থলের চারপাশ এখনও কালো ধোঁয়ায় ঢাকা। হিমালয়া হাউসে বেশ কয়েকটি সংস্থার অফিস রয়েছে৷ তবে অফিস টাইম না হওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনহানির ঘটনা ঘটেনি। দমকল কর্মীদের মরিয়া চেষ্টার তিন ঘন্টা পর আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।