ড্যামেজ কন্ট্রোলে শোভনদেবের সাক্ষাতে ফিরহাদ, সুব্রত

Update: November 29, 2012 19:35 IST

শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে অস্বস্তি কাটাতে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামল তৃণমূল। সকালে ফিরহাদ হাকিম ফোন করে ক্ষুব্ধ বিধায়কের মানভঞ্জনের চেষ্টা করেন। একই প্রয়াস চালান সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বৈঠকও করেন তাঁর সঙ্গে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। নিজের অবস্থানে অনড় থেকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ফের জানিয়েছেন, দলের ভিতর সম্মান চান তিনি।

ক্ষোভ-বিক্ষোভ সত্ত্বেও প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও দল এবং অন্যান্য কাজকর্ম নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন দলের প্রবীণ বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু ক্ষোভ চাপা ছিল না এদিনও। সেই ক্ষোভের আঁচ ছিল পুরসভা চত্বরেও। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে নিগ্রহের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেন আইএনটিটিইউসি অনুমোদিত কর্মী ইউনিয়নের সমর্থকেরা। মুখ্যমন্ত্রীকে নিগৃহীতদের  বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন তাঁরা। 

রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের পরে দল নিয়ে যেভাবে মুখ খুলেছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় তাতে অস্বস্তি ক্রমেই বাড়ছে দলের। সেই অস্বস্তি ঢাকতেই এদিন সকালে নেত্রীর নির্দেশে তত্পর হন দলের দুই নেতা। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে ফোন করেন ফিরহাদ হাকিম এবং সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এরপর শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে  বৈঠকও করেন মমতা ঘনিষ্ঠ এই দুই নেতা। তাঁর অভিযোগের বিষয়টি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানানোর  আশ্বাস দিয়েছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়।

Post Your Comment

Total Comments:1

KOTOJONER DAMAGE CONTROL KORBEN ? SESE DEKHBO NATRI CHARA DOLE AUR KAU NAI. ETATO DAL NOI PRIVATE LIMITED COMPANY.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।