ডার্বি জ্বরে ভুগছে কলকাতা

Update: December 9, 2012 10:53 IST

মরসুমের প্রথম ডার্বিকে ঘিরে উন্মাদনার পারদ চড়ছে গলি থেকে রাজপথে। চিড্ডি-ওডাফার দ্বৈরথ দেখতে মুখিয়ে আছেন বাংলার ফুটবলপ্রেমীরা। বড় ম্যাচকে ঘিরে একে অপরকে টেক্কা দিতে প্রস্তুত। রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মরসুমের প্রথম ডার্বি। ওডাফা-চিড্ডিদের লড়াইয়ের আগে জাতীয় লিগ আর আই লিগে দুই দলের লড়াইয়ের পরিসংখ্যান অন্তত বলছে একটু হলেও এগিয়ে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল।
 
আই লিগ আর জাতীয় লিগ মিলিয়ে এর আগে মোহনবাগান আর ইস্টবেঙ্গল মুখোমুখি হয়েছে ৩০ বার। ইস্টবেঙ্গল জিতেছে ১২টি ম্যাচ। আর ১০টি ম্যাচে জয়লাভ করেছে মোহনবাগান। আটটি ম্যাচ অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়েছে। ডার্বি ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল মোট গোল করেছে ৩৪টি। অপরদিকে ২৮টি গোল করেছে মোহনবাগান। দুই দলের শেষ সাক্ষাত শেষ হয়েছিল অমীমাংসিতভাবে। যুবভারতীতে খেলার ফল ছিল এক-এক। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল করেছিলেন রবিন সিং।মোহনবাগানের হয়ে গোল করেছিলেন ওডাফা।
 
এখনও পর্যন্ত জাতীয় লিগের ডার্বিতে সর্বোচ্চ গোলদাতা ব্যারেটো। সাতটি গোল রয়েছে ব্রাজিলীয় স্ট্রাইকারের। ছয় গোল করে তারপরেই আছেন বাইচুং।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।