ফিল্মফেয়ারেই সিদ্ধার্থকে প্রথম দেখি

Update: January 22, 2013 23:30 IST

প্রতি বছরই বলিউডে মুক্তি পায় প্রায় শ`দুয়েক ছবি। নিয়মমাফিক বসে ফিল্মফেয়ারের আসরও। মনোনয়ন, পুরস্কার সবকিছুর মাঝেই প্রতি বছরই কিছু বিশেষ অনুভূতিও প্রাপ্তি হয় তারকাদের। প্রতিবছরই কারও না কারও প্রথম বছর, আবার কেউ এই মঞ্চ থেকেই খুঁজে পান নিজের মনের মানুষকে। ফিল্মফেয়ারের সেইসব অনুভূতিই ভাগ করে নিলেন তারকারা।

ইয়ামি গৌতম: এটা আমার ফিল্মফেয়ারে প্রথম বছর। বাড়িতে বসে টিভিতে ফিল্মফেয়ার দেখা আর এখানে মঞ্চে উপস্থিত থাকা একেবারে ভিন্ন অভিজ্ঞতা।

বিদ্যা বালন: প্রথম বছর আমি আমার স্বামীর সঙ্গে ফিল্মফেয়ারে এলাম। কয়েক বছর আগে ফিল্মফেয়ারের ব্যাকস্টেজেই সিদ্ধার্থের সঙ্গে প্রথমবার দেখা হয়েছিল আমার। তাই আমার কাছে ফিল্মফেয়ার একটা নস্টালজিয়া।
অর্জুন কপুর: আমার ফিল্মফেয়ারের সবথেকে ভাল স্মৃতি ছিল মায়ের সঙ্গে একসঙ্গে বসে দেখা। কিন্তু আজ আমি আমার হটেস্ট ডেট, আমার বোনের সঙ্গে রেড কার্পেটে হাঁটলাম।

পামেলা চোপড়া(যশ চোপড়ার স্ত্রী): যশজি পকেটে মাত্র ২০০ টাকা, স্বপ্ন ও মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে মুম্বই এসেছিলেন। আমার জীবনে দেখা সবথেকে বিনয়ী মানুষ ছিলেন যশ। উনি কখনই জানতেন না যে উনি যশ চোপড়া-এটাই ওর সবথেকে বড় গুণ। তিনটে জিনিস উনি ভালবাসতেন-ছবি, খাবার ও পরিবার-ঠিক এই পর্যায়ক্রমেই।

মনোজ বাজপায়ী-যারা মনোনয়ন পায় তারা সকলেই বিজয়ী।

মাধুরী দীক্ষিত-আমার কাছে ৬টি ফিল্মফেয়ার ট্রফি রয়েছে।

প্রীতম(সুরকার)-আমি আর.ডি বর্মনের মিউজিক শুনে বড় হয়েছি। উনি আমাকে ভীষণ ভাবে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। আজও ওনার মিউজিক শুনলে আমি নস্টালজিক হয়ে পড়ি। দুটো পুরস্কার জিতে আমি সত্যিই খুশি। আমি দুটো ট্রফি প্রত্যাশা করিনি।

পরিনীতি চোপড়া-আমি চাই বরফি সবকটা পুরস্কার জিতুক। রণবীর সেরা অভিনেতা। অনুরাগ সেরা পরিচালক।


Post Your Comment

Total Comments:1

22jan.2013 midnight- a apnader chhanele MAMTA BADHAPADHYA- k niay PAKHHE & BIPOKHHE anuthhan ta daykhete daykhte mone holo kake niay aai sab alochona korcheen jar naki nijer kono sence of humar bole kichu nei. uni 13th march 2012 jakha mukhhamantri holen aai bangla valo kara sapath niay saydin or patir neta der bole diay chilo je jato taratari paro gharguchia nao karon manusher vul kintu je kono muhurte vagbe thakha amar r kichu karar thkbe na r ami shudhu silannash kore kore chair tar jato longibiti barano jay tato tuku kore jabo. r amar ghar tato dine PARTHHA, MUKUL ,BOBY era gochabe. sutorang oke niay osab alochona na kore sara sori prashna karun r dinai kor le video clip ta dakhea din sathe ekta gamcha nite vulben na karon mukhdakhte hobe to. karon aai bapar ta `` O `` abar KISHAn JI-r kach theke valo shikheche. Thanks.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।