রাজ্যে বাড়ছে মরসুমি ফুলের চাহিদা

Update: January 1, 2012 22:07 IST

বড়দিন থেকে বর্ষবরণ, বছরের শেষ সপ্তাহটায় ফুলের চাহিদা থাকে তুঙ্গে। নতুন বছরের শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য ফুলের বিকল্প নেই। কিন্তু সেই ফুলের জোগান দিতেই এখন হিমসিম অবস্থা আলিপুরদুয়ারের ফুলচাষিদের। শীতের মরসুমে নানা রঙের বাহারি ফুলের চাষ তাই ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে উত্তরবঙ্গে। বড়দিন থেকে নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহটা বাজারে মরসুমি ফুলের চাহিদা থাকে তুঙ্গে। আলিপুরদুয়ারের ঘাগরা এলাকায় শীতকালে ফুল চাষ করছেন বহু কৃষক।

ক্যালেন্ডুলা, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, পিটুনিয়ার রঙে ঝলমল করছে বাগান। শুধু উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলাই নয়, পাশের রাজ্য অসমেও এই মরসুমি ফুলের চাহিদা রয়েছে।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।