স্বর্ণশিল্পে উত্‍পাদন শুল্ক প্রত্যাহার, মুলতুবি নয়া কর বিধি

Update: May 8, 2012 09:06 IST

কর পাঁকির ক্রমবর্ধমান প্রবণতা রুখতে বাজেট প্রস্তাবে এ ব্যাপারে নতুন নিয়মবিধি জেনারেল অ্যান্টি-অ্যাভয়ডেন্স রুল্স বা জিএএআর তালুর প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। কিন্তু শিল্পমহলের প্রবল চাপে আপাতত ব্যাপারে পিছু হটতে হল তাঁকে। সংসদে বাজেট ও অর্থবিলের উপর বিতর্কের জবাবী ভাষণে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, এখন নয়, আগামী ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষ থেকে নতুন ব্যবস্থা চালু হবে।

প্রণববাবুর এই ঘোষণার ফলে বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে। সেই সঙ্গে তাঁর স্বর্ণশিল্পে উত্‍পাদন শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণা স্বর্ণব্যবসায়ী মহলে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। আর এই জোড়া ঘোষণার জেরে অনেকটাই চাঙ্গা হয়েছে বাজার। তবে ভোডাফোনর সঙ্গে সাম্প্রতিক কর বিতর্ক মামলায় কোনওরকম ইঙ্গিত দেননি অর্থমন্ত্রী। হাচ-ভোডাফোন সংযুক্তিকরণের মতো কৌশল নিয়ে অদূর ভবিষ্যতে কোনও বিদেশি সংস্থা যাতে কর ফাঁকি দিতে না পারে তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই নতুন আইন প্রণয়ন করেছে ইউপিএ সরকার। ভোডাফোন গোষ্ঠীর অভিযোগ, কর আইন সংশোধনের প্রস্তাব এনে বিদেশি লগ্নি সুরক্ষা চুক্তি ভেঙেছে ভারত। যদিও প্রণববাবুর ইঙ্গিত, এখনই এ বিষয়ে ভোডাফোনের সঙ্গে আলোচনার পথে যাচ্ছে না কেন্দ্রীয় সরকার।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।