হাফিজ সইদ প্রসঙ্গে ভুল তথ্য দিয়েছেন রেহমান মালিক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Update: December 18, 2012 10:40 IST

মুম্বই হামলার তদন্তে হাফিজ সইদ পাকিস্তানেই রয়েছে। কখনও গ্রেফতার হয়নি তাঁকে। রেহমান মালিক এ বিষয়ে ভুল তথ্য দিয়েছেন। গতকাল, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীলকুমার শিণ্ডে নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর কেন্দ্রীয় সরকারকে নতুন করে আক্রমণ করেছে বিজেপি। পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা, ক্রিকেট ম্যাচ বন্ধের দাবি জানিয়েছে তারা।  

সাম্প্রতিক ভারত সফরে পাক অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী রেহমান মালিক মুম্বই হামলার সঙ্গে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের তুলনা করেছিলেন। বলেছিলেন, "লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি আবু জুন্দাল ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট ছিল।" কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তখনই কেন এই মন্তব্যের প্রতিবাদ করেননি? এই প্রশ্ন তুলে বিজেপি আগেই সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়া করেছিল। এ বার তাতে যোগ হল নতুন মাত্রা।

সোমবার, সংসদে সুয়ো মোটো বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, "মুম্বই সন্ত্রাসের মূল ষড়যন্ত্রকারী হাফিজ সইদ সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়েছেন রেহমান মালিক। তিনি হাফিজ সইদের গ্রেফতারের দাবি করলেও ২৬/১১-র ঘটনায় পাকিস্তানের মাটিতে কখনও তাঁকে ধরা হয়নি।" এদিন নিজের বিবৃতিতে সুশীলকুমার শিণ্ডে হাফিজ সইদের নামের আগে শ্রী ও মিস্টার শব্দদুটি ব্যবহার করেন।

পাক অভ্যন্তরীণ মন্ত্রীর মন্তব্য ও ভুল তথ্য দেওয়া নিয়ে কংগ্রেসকে বিঁধেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, পাকিস্তান ইস্যুতে সুর নরম করছে সরকার। যা দেশের পক্ষে ভাল নয়। যদিও, কংগ্রেস, বিজেপির এই বক্তব্য খারিজ করে দিয়েছে। আলোচনার মাধ্যমেই পাকিস্তানের সঙ্গে বকেয়া সমস্যা মেটানোর ওপর জোর দিয়েছে তারা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।