ফের অশান্ত অসম

Update: August 28, 2012 11:31 IST

অশান্তির আগুনে এখনও জ্বলছে অসম। গতকাল রাতে কোকরাঝাড় জেলায় নতুন করে হিংসার ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহত কমপক্ষে পাঁচ। রাজ্য পুলিসের আইজি আইন শৃঙ্খলা এল আর বিষ্ণই জানিয়েছে, ফকিরাগ্রাম থানার অন্তর্গত পাক্রিতলা গ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে প্রাণ হারাণ একজন। আহতের সংখ্যা চার। এছাড়া গোসাইগাওঁয়ের টুপিমারিতেও একাধিক বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিস। হামলাকারীদের ধরতে না পারলেও, অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় একজনকে উদ্ধার করে তারা। একই ধরনের ঘটনা ঘটা সালকাঠির ফুমটি গ্রামে। সেখানেও বেশকিছু বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় একদল দুষ্কৃতী। আতঙ্কে স্থানীয় মানুষজন রাস্তায় নামেন।

রাজ্যজুড়ে হিংসা নিয়ন্ত্রণে রাজ্যসরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে আজ অসমের সংখ্যালঘু ছাত্র সংসদের ডাকে ১২ ঘণ্টার বনধ পালিত হচ্ছে। গতকালও অসমে ১২ ঘণ্টার বনধ ডেকেছিল বজরং দল। অসমে নতুন করে সংঘর্ষ ছড়ানোয় উদ্বিগ্ন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। 

জুলাই মাসের ১৮ তারিখ থেকে শুরু হওয়া গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় অসমে মৃতের সংখ্যা ৯০ ছাড়িয়েছে। ঘরছাড়া দুই লক্ষাধিক মানুষ। যার মধ্যে চিরাং জেলাতেই ২২টি শরনার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন ৪০ হাজার মানুষ।

Post Your Comment

Total Comments:1

``Manush jato din Manusher thake Dharmo k besi gurutto debe tato din ei ghatona ghotbe``

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।