আবার অশান্ত অসম, মৃত ৬

Update: November 16, 2012 13:43 IST

প্রায় তিন মাস শান্ত থাকার পর ফের অশান্ত অসম। এ মাসের ১০ তারিখ থেকে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘর্ষের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ছ`জনের মৃত্যু হয়েছে। হিংসার অধিকাংশ ঘটনাই ঘটছে বোড়ো জনজাতী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে।

রাজ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি জানতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অসমের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈয়ের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। তখনই হিংসা মোকাবিলায় তাঁর সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারে জানান মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ।

প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, অসমের মত একটি শান্তিপ্রিয় রাজ্যে পরিকল্পিত ভাবে হিংসার বীজ ছড়িয়ে দিচ্ছে কিছু অশুভ শক্তি। সেইজন্য তিনি রাজ্য সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। তিনি আরও জানিয়েছেন যে অসমে শান্তি ফেরানোই কেন্দ্রের অন্যতম লক্ষ্য। তারজন্য অসম সরকারকে সবরকম সহযোগিতা করবে দিল্লি।

পুলিস জানিয়েছে, গতকাল কোকরাঝাড় জেলার তেলিপাড়ায় নিরিসুন বাসুমাতারি নামে একজনকে খুন করে দুষ্কৃতীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাতে কিছু জেলায় কার্ফু জারি করে প্রশাসন।

Post Your Comment

Total Comments:1

koi akn to kao bl6e na cngrss samprodaik dal

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।