অসিদের বিরুদ্ধে দল থেকে বাদ গতি, ফিরলেন ভাজ্জি, বিরু

Update: February 10, 2013 15:14 IST

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম দুই টেস্টের জন্য ভারতীয় দল ঘোষণা করল সন্দীপ পাটিলের নেতৃত্বাধীন বিসিসিআই-এর নির্বাচক কমিটি। দল থেকে বাদ পড়লেন গৌতম গম্ভীর। দলে ফিরে এলেন অভিজ্ঞ অফস্পিনার হরভজন সিং। বিরু-গতি জুটির গতি বাদ পড়লেও দলে ফিরলেন `বিরু` বীরেন্দ্র সেওয়াগ।

বেশ কিছুদিন ধরেই গৌতম গম্ভীরের অফ ফর্মে তাঁর দল থেকে বাদ পড়ার অশনি সংকেত পাওয়া যাচ্ছিল। একবছর আগে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নিজের শেষ টেস্ট শতরানটি করেছিলেন গতি। কিছুদিন ধরেই তাঁর দল থেকে বাদ পড়া নিয়ে জোর ফিসফাস চলছিল। টেস্ট দল থেকে বাদ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কিন্তু গম্ভীরকে পঞ্চাশ ওভারের দল থেকেও বাদ দেওয়ার দিকে একধাপ এগিয়ে গেল বিসিসিআই।

অন্যদিকে রঞ্জি আর ইরাণি ট্রফিতে নিজের হারানো ফর্মের ফিরে আসার ইঙ্গিত দিয়ে জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন ঘটল ভাজ্জির। এছাড়া অসিদের বিরুদ্ধে হরভজনের ঈর্ষনীয় অতীত প্যারফরমেন্স তাঁর দলে ফিরে আসার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গম্ভীর দল থেকে বাদ পড়ায় শিকে ছিঁড়ল দিল্লির ওপেনার শিখর ধাওয়ানের ভাগ্যে। প্রথমবারের জন্য টেস্ট দলের ১৫ জনের দলে ঢুকে পড়লেন তিনি। তবে ফর্মে থাকা ওয়াসিম জাফরকে কেন বাদ দেওয়া হল তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

প্রশ্ন উঠেছে সাম্প্রতিক ধারাবাহিক ভাল প্যারফরমেন্স করা সত্ত্বেও বাংলার সামি আহমেদের ভারতীয় বোলিং স্কোয়াডে ঠাঁই না মেলায়। বাংলা থেকে দলে আছেন অশোক দিন্দা।

দেশের মাটিতে ইংল্যান্ড আর পাকিস্তানের কাছে পরপর দুটি টেস্ট সিরিজে নাস্তানাবুদ হওয়ার পর অস্ট্রেলিয়া সিরিজ ধোনি বাহিনীর কাছে অ্যাসিড টেস্ট। এই সিরিজের প্যারফরমেন্সের উপর হয়ত ভারতীয় দলের বেশ কিছু সদস্যের ভবিষ্যতের ক্রিকেটিয় ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যাবে।


প্রথম দুই টেস্টের জন্য নির্বাচিত ১৫জনের ভারতীয় দল: মহেন্দ্র সিং ধোনি (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক)

, বীরেন্দ্র সেওয়াগ, শিখর ধাওয়ান, চেতেশ্বর পূজারা, সচিন তেন্ডুলকর, বিরাট কোহলি, রবীন্দ্র জাদেজা, হরভজন সিং, আর অশ্বিন, প্রজ্ঞান ওঝা, ভূবনেশ্বর কুমার, আজিঙ্কা রাহানে, অশোক দিন্দা, মুরলী বিজয়, ইশান্ত শর্মা

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।