দিল্লি ধর্ষণকাণ্ড: শুনানিতে মিডিয়ার প্রবেশে উঠল নিষেধাজ্ঞা

Update: March 22, 2013 14:47 IST

দিল্লি গণধর্ষণ মামলার দৈনন্দিন শুনানিতে সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকারের উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল দিল্লি হাইকোর্ট।

গত বছরের ডিসেম্বরে রাজধানীর রাজপথে চলন্ত বাসে গণধর্ষণের শিকার হয় ২৩ বছরের এক তরুণী। ধর্ষণের সঙ্গেই তার উপর চালানো হয় পৈশাচিক অত্যাচার। ডিসেম্বরের ২৯ তারিখ সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান ওই তরুণী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদে উত্তাল হয় সারা দেশ। দ্রুত গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত ছ`জনকে। গঠিত হয় ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট। কিন্তু প্রাথমিক ভাবে নিরাপত্তার খাতিরে এজলাসে সংবাদমাধ্যমের প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধেই হাইকোর্টে আবেদন জানান সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

সেই আবেদনের ভিত্তিতেই আজ দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি রাজীব শাকধের জানিয়েছেন শুনানির সময় ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে এজলাসে সর্বভারতীয় দৈনিকগুলির একজন করে প্রতিনিধি থাকতে পারবেন।

তবে এর সঙ্গেই সংবাদমাধ্যমের উপর কিছু বিধিনিষেধও জারি করা হয়েছে। শুনানি চলাকালীন কোনও ভাবেই মেয়েটিবার তার পরিবারের নাম এজলাসের বাইরে আসতে না পারে সে ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দিল্লি হাইকোর্টের পক্ষ থেকে।

Post Your Comment

Total Comments:1

Bongaon....batar more aborodh chalchhe.S.I aseni tai samojhota hoini.ABORODH CHALCHHE.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।