সানি-ইমরানের সমালোচনার `বন্দুকের` সামনে ধোনি, আইপিএলও

Update: January 4, 2013 23:01 IST

সুনীল গাভাসকর, ইমরান খান। ওয়াঘা সীমান্তের দু`পাড়ের দুই ক্রিকেট কিংবদন্তির গলায় এক সুর। ভারতীয় ক্রিকেটের ক্রমাগত ব্যর্থতার জন্য সানি-ইমরান দুজনেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন মহেন্দ্র সিং ধোনি আর আইপিএলকে।

ধারাবাহিক ব্যর্থতায় প্রাক্তন তারকাদের তোপের মুখে ধোনিবাহিনী। ভারতীয় ক্রিকেট দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতার জন্য ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগকে দায়ী করেছেন সুনীল গাভাসকর ও ইমরান খান। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়কের মতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এখনই বিষয়টি নিয়ে ভাবা উচিত। তা না হলে আরও তলানিতে গিয়ে ঠেকবে ধোনিদের পারফরম্যান্স। ইমরানের মতে টোয়েন্টি-টোয়েন্টি নয় একমাত্র একজন টেস্ট ক্রিকেটারই সব ফরম্যাটে ভাল পারফরম্যান্স করার ক্ষমতা রাখেন।

গাভাসকরও আইপিএল নিয়ে একহাত নিয়েছেন বিসিসিআইকে। তিনি বলেন আইপিএল খেলতে গিয়ে জাতীয় দলের প্রথম সারির ক্রিকেটারদের চোট আঘাতের সংখ্যা বেড়েছে।

এর জেরে বিপাকে পড়েছে দল। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পাওয়ার জন্য খারাপ পারফরম্যান্স করছেন বিরাট কোহলিরা। এখনই আইপিএল নিয়ে সতর্ক না হলে বিপদ বাড়বে।  পাকিস্তানের আর এক প্রাক্তন অধিনায়ক ইন্তিখাব আলমের মতে একদিনের ক্রিকেট থেকে সচিন তেন্ডুলকর ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে রাহুল দ্রাবিড়, ভিভিএস লক্ষ্মণদের অবসরে একটা শূণ্যতা দেখা দিয়েছে। এখান থেকে আবার দলটিকে গুছিয়ে নিতে আরও দশ বছর সময় লাগবে।   





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।