নয়ডায় ধর্ষণের পর খুন একুশের তরুণী

Update: January 6, 2013 13:25 IST

তেইশ বছরের তরুণীর মৃত্যুতেও বদলাল না রাতের রাজধানীর নিরাপত্তাহীনতার ছবিটা। দেশ জোড়া প্রতিবাদও ইতি টানতে পারল না ধর্ষকের বিকৃত মানসিকতার। বাড়ি ফেরার পথে ফের ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে নয়ডার চটপুর কলোনিতে। একুশ বছরের ওই তরুণীর বাড়ির কাছেই। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।

অভিযুক্তদের জেরা করা হচ্ছে। পুলিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত নটা নাগাদ কয়েকজন মহিলা সহকর্মীর সঙ্গে কর্মক্ষেত্র থেকে বেরোন ওই তরুণী। কলোনির কাছাকাছি এসে বাকিরা যে যার গন্তব্যে চলে যান। বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন তরুণী। দশটা বেজে যাওয়ার পরও মেয়ে ফিরছে না দেখে খুঁজতে শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, পুলিসকে ঘটনাটি জানানো হলেও কোনও উদ্যোগ নেয়নি পুলিস। এমনকি নিখোঁজ ডায়েরি নিতেও পুলিস অস্বীকার করে বলে অভিযোগ। শনিবার সকালে পুস্তা এলাকা থেকে উদ্ধার হয় তরুণীর মৃতদেহ। তাঁর দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে ৩০২, ৩৭৬ এবং ২০১ ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিস।

Post Your Comment

Total Comments:1

Esob choltei thakbe, govt admin keo kichhu korbe na. Sob faka buli.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।