ঋত্বিক-নাতনির রহস্যমৃত্যু, উঠছে অনেক প্রশ্ন

Update: December 2, 2012 17:44 IST

রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল ঋত্বিক ঘটকের নাতনি অদিতি ঘটকের। গত শুক্রবার সোনারপুরের একটি খাল থেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার হয় তাঁকে। রবিবার কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় অদিতির।

গত শুক্রবার একটি রেস্তোরাঁ থেকে জ্ঞানজিত পটর ও ৩ বান্ধবীর সঙ্গে একটি গাড়িতে ওঠেন অদিতি। ওই দিনই রাতে সোনারপুরের গোলাবাড়ি এলাকার একটি খাল থেকে অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ভর্তি করা হয় বেসরকারি হাসপাতালে। পরিবারের দাবি অদিতিকে খুন করা হয়েছে।

আজ অদিতির মৃত্যু হয়। শুক্রবারই জ্ঞানজিতের বিরুদ্ধে তিলজলা থানায় খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করে অদিতির পরিবার। যদিও এখনও পর্যন্ত জ্ঞানজিতকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিস। টাকা দিয়ে খুনের অভিযোগ তুলে নেওয়ার প্রলোভন দিচ্ছে অভিযুক্ত জ্ঞানজিতের পরিবার। এই ঘটনায় এমনই অভিযোগ অদিতি ঘটকের পরিবারের আইনজীবীর।

অদিতির এক বান্ধবীর দাবি, গত শুক্রবার জ্ঞানজিত্‍ এবং আরও দু'টি মেয়ের সঙ্গে একটি রেস্তোরাঁ থেকে গাড়িতে করে বেরিয়ে গিয়েছিলেন অদিতি। ওই রেস্তোরাঁতেই জ্ঞানজিতদের সঙ্গেদেখা করেছিলেন তিনি। তার পর থেকেই অদিতির কোনও খোঁজ নেই।






Post Your Comment

Total Comments:2

ei ghatona somuho ki amader oti adhunikatar amogh porinaam noi?

How this accident was happend?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।