রাজনীতি নয় স্বাস্থ্যের কারণেই তরুণীকে বিদেশে পাঠানো হয়েছে, মন্তব্য খুরশিদের

Update: December 28, 2012 19:59 IST

দিল্লি ধর্ষণকাণ্ডে আক্রান্ত তরুণীকে বিদেশে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পেছনে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকার কথা উড়িয়ে দিলেন বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদ। বিদেশমন্ত্রী শুক্রবার জানিয়েছেন, তরুণীকে চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তেই স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এই ঘটনায় কোনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হয়নি বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। শুধুমাত্র চিকিৎসাধীন তরুণীর পাসপোর্ট পেতে সহায়তা করেছে সরকার।

খুরশিদ বলেন, "এই স্থানান্তর রাজনৈতিক কারণে নয়। চিকিৎসার করণেই তাঁকে স্থানান্তর করা হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "আমি নিশ্চিত সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়ার আগে চিকিৎসকরা ইউএস, ইউকে কিংবা জার্মানির কথা ভেবেছিলেন।" কিন্তু পরবর্তী চিকিৎসা স্থান নির্ণয়ের আগে রোগীনির স্বাস্থ্যর নিরিখে দূরত্ব ও সময়কে বিবেচনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে খুরশিদ।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।