ধর্ষকদের সঙ্গে দায়ী নির্যাতিতাও, মন্তব্য আসারামের

Update: January 7, 2013 16:13 IST

দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ড এবং তার পরবর্তী নারী নির্যাতন সম্পর্কিত মন্তব্যের `সিলসিলা` চলছে গত কয়েকদিন ধরেই। ধর্ষণের কারণ এবং মেয়েদের কী করা উচিত কী না তা নিয়ে পালা করে বক্তব্য জানিয়েছেন অনেকেই। সেই ধারা অব্যাহত রেখেই আজ দিল্লি গর্ণধর্ষণকাণ্ড নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন ধর্মগুরু আসারাম বাপু। স্বঘোষিত এই ধর্মগুরুর দাবি, অভিযুক্তদের সঙ্গে সঙ্গে নির্যাতিতা তরুণীও এই ঘটনার জন্য সমান দায়ি।

আসারামের মতে, অভিযুক্তদের ভাই সম্বোধন করে যদি তরুণী তাদের কাছে রেহাই ভিক্ষা করা উচিত ছিল। তারঁ মতে সেক্ষেত্রে হয়ত এতবড় বিপর্যয় এড়ানো যেত। দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ড নিয়ে গোটা দেশ যখন প্রতিবাদ উত্তাল সেসময় আসারামের এই মন্তব্যে  সব মহলই ক্ষুব্ধ।





Post Your Comment

Total Comments:5

shame on u..asharam...the people like u...in our sociaty..is our minus point..pls.think before u comment..if your child met this kind of accident then..pls think.....

Ata jodi apnar barir kano mohilar sathe hto...apni ki ai kthai bolten ?

WHO IS THIS SENILE CHARECTER? SEND HIM TO A LUNATIC ASSYLAM.

ei sob kothar morjoda jodi ora bujhto tahole oder rape korar manosikota o asto na....manushe jotodin na manoshik chinta bhabna bodlabe todin ei sob bodlabe na....ar bondhho korun ei sob baire theke ki hoto ar ki hoto na bola....

উনি কি করে জানলেন যে ধর্ষকদের ভাই বলে সম্মোধন করলে ধর্ষকদের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়? উনি কি যৌবনে এভাবে ছাড় দিতেন?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।