অস্কারে ব্রাত্য হয়েও গোল্ডেন গ্লোব মাতালেন বেনই

Update: January 14, 2013 17:59 IST

অস্কারে মনোনয়ন মেলেনি। গোল্ডেন গ্লোবে সেরা পরিচালকের পুরস্কার উঠল তাঁর ঘরেই। ১৯৭৯-এ ইরানে অপহরণের টানটান নাটকের পটভূমিতে তৈরি ছবি আরগোর জন্য সেরা পরিচালক আর ড্রামা বিভাগে সেরা ছবির গোল্ডেন গ্লোব পেলেন বেন অ্যাফলেক। মিউজিক্যাল অ্যান্ড কমেডি বিভাগে অবশ্য সেরা ছবির পুরস্কার পেল টম হুপারের লা মিসারেব্‌ল। শুধু সেরা ছবিই নয়, এই সিনেমায় অভিনয়ের জন্য হিউ জ্যাকম্যান ও অ্যানি হ্যাথওয়ে সেরা অভিনেতা ও সেরা সহ অভিনেত্রীর গোল্ডেন গ্লোব পেলেন। তবে রবিবার রাতে খানিকটা খালি হাতেই ফিরতে হল অ্যাং লির `লাইফ অফ পাই`-কে।

ড্রামা বিভাগে অভিনয়ে সেরা অবশ্য ড্যানিয়ল ডে লিউস (লিঙ্কন) এবং জেসিকা চস্টেইন (জিরো ডার্ক থার্টি)। বর্ষীয়ান দুই অভিনেত্রী মেরিল স্ট্রিপ আর জুডি ডেঞ্চকে পিছনে ফেলে মিউজিক্যাল-এ সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেলেন জেনিফার লরেন্স। কোয়ান্টিন ট্যারান্টিনোর বহু প্রতিক্ষীত ছবি জ্যাঙ্গো আনচেইনড-এ অভিনয়ের জন্য সেরা সহ অভিনেতার পুরস্কার পেলেন ক্রিস্টোফ ওয়ালত্‌স।

রবিবার রাতে বেভেরলি হিলসের চাঁদের হাটে অনুষ্ঠিত হল হলিউড ফরেন প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের ৭০তম গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস। এই অনুষ্ঠানকে ওয়ার্ম আপ ধরে নিয়ে ফেব্রুয়ারির ২৪-এই পর্দা উঠছে অস্কারের।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।