শুল্কবৃদ্ধির প্রতিবাদে স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটি

Update: March 23, 2012 22:55 IST

সাধারণ বাজেটে শুল্ক বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুক্রবার কালো পোশাক পরে রাস্তায় নামলেন স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটির সদস্যরা। সোনার গয়নায় অন্তঃশুল্ক বৃদ্ধির প্রতিবাদে রবিবার পর্যন্ত ধর্মঘটের কর্মসূচি রয়েছে ব্যবসায়ীদের। কিন্তু ধর্মঘট রবিবার পর্যন্ত চালানো হবে নাকি তা আগামিকাল প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে, এই নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটি। শুক্রবার সন্ধ্যায় এই নিয়ে আলোচনায় বসতে চলেছেন কমিটির সদস্যরা। মহাকরণের সামনে প্রতিবাদ করার কথা থাকলেও ফিয়ার্স লেনে তাঁদের পুলিস বাধা দেয় বলে অভিযোগ। দেওয়া হয় গ্রেফতারের হুঁশিয়ারিও।
 
শুল্কবৃদ্ধি হলে শুধু যে রুজিরোজগারে টান পড়বে তাই নয়, এরফলে সোনার কালোবাজারি বেড়ে যাবে বলে আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের। আলোচনার জন্য স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটির পাঁচ সদস্যের একটি দল শুক্রবার যায় শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে। শিল্পমন্ত্রী তাঁদের সমস্যা মেটানোর আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। দাবির সুরাহা না হলে আগামিদিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটি।
 







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।