অভিযুক্তকে আড়াল করা মন্ত্রীর কাজের মধ্যে পড়ে না: রাজ্যপাল

Update: February 14, 2013 14:40 IST

"অভিযুক্তকে আড়াল করা মন্ত্রীর কাজের মধ্যে পড়ে না।" গার্ডেনরিচ কাণ্ডে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে এ কথাই বললেন রাজ্যপাল এম কে নারায়ণন। আজ নিহত এসআই তাপস চৌধুরীর বাড়িতে গিয়ে সাংবাদিকদের কাছে রাজ্যপাল বলেন, "এফ আইআরএ আরও নাম থাকলে তদন্তকারী দলের হেফাহাজতেই থাকা উচিত অভিযুক্তের। ফিরহাদ হাকিম প্রসঙ্গে বলি, অভিযুক্তকে আড়াল করা তাঁর কাজের মধ্যে পড়ে না, অন্তত আমি সেভাবেই দেখি।"

গার্ডেনরিচের ঘটনাপ্রবাহ বলছে, পুরো ঘটনার পিছনে ছিল ১৫ নম্বর বরো কমিটির চেয়ারম্যান মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্নার প্ররোচনা। অথচ প্রথম থেকেই তাঁকে বারবার আড়াল করছেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। মুন্নার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। তবু বুধবার মহাকরণে পুরমন্ত্রী বললেন, ঘটনায় মুন্না জড়িত তা তিনি বিশ্বাসই করেন না।

মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে পুরমন্ত্রীকেও মহম্মদ ইকবালের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায়। পুলিসকর্মী তাপস চৌধুরী মারা যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর ফোন আসে পুরমন্ত্রীর কাছে। সাংবাদিকদের সামনেই ফোনে `দিদি`কে আশ্বস্ত করে ফিরহাদ বাবু জানান `মুন্নাই ছিল আক্রমণের লক্ষ্য`।

পুলিস এই ঘটনায় ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে। যদিও এফআইআরে নাম নেই মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্নার। অভিযোগ উঠেছে, পুরমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হওয়ার জন্যই তাঁকে ছাড় দিয়েছে পুলিস। ঘটনার পরেই ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য ছিল মুন্নাই আক্রান্ত হয়েছে। সেইসময়ও পুরমন্ত্রীর পাশে দেখা দিয়েছে সগর্ব উপস্থিতি।

শেষপর্যন্ত পুরমন্ত্রীর পাশে এই সগর্ব উপস্থিতির কারণেই কী গ্রেফতার করা যায়নি মুন্নাকে? এমনকী তাঁর নেতৃত্বে হামলা হলেও তাঁর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের হয়নি। যদিও দিনকয়েক আগে এই ধরনেরই একটি ঘটনায় কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রনোদিত মামলা দায়ের করেছিল পুলিস।

Post Your Comment

Total Comments:9

Munnabhai-ke Araal Kore, Hakimbhai Nijekei Araal Chesta Korche Naato?

FIRAD HAKIM KE TMC CHAKE SUSPEND KARA UCHIT MA MATI MANUS ER MAMOTER

Sarkarer uchit hobe college vote tai tule deya. Er jonyoi to joto gondogol. Ar sob criminal lokjon jodi jonoprotinidhi hoi,tahole ki ba korbo. Karon amrai to oi anti social der vote diye khomota tule dichchi. Amar mone amader bartaman CM jotodin na tar Ekguyemi ar jed chere satyer mukhomukhi hoben,totodin esob choltei thakbei. CM Mamata jodi police ke thappar marte jan,tahole Sk. Shovan ba councillor Iqbal marle dosh kiser!

Alas! Not from the opposition, the specific allegation against the minister comes from the Governor. Let us hope the ruling party and their media won’t brand the Governor as CPM/Congress activist.

Firhad Hakim should be arrested immediately and should be charged with murder. He is known unsocial element.

Amon vabe ghonistho sutre char peye gale ki jongon ki chere diye kotha blbe??

নিহত এসআই তাপস চৌধুরীর meyeke police office e job deoya hok...dosi der upojukto sasti deoya hok.... abilombe md. Iqbal r Moktar ke arrest kora hok...arai nater guru...

নিহত এসআই তাপস চৌধুরীর meyeke police office e job deoya hok...ar dosi der upojukto sasti deoya hok... MD. iqbal ar Moktar ke abilombe greftar kora hok...

FIRHAD HAKIM ARAL KORER SIKHYA ONER DIDIR KACH THEKE SIKHECHEN,POUROSOVAR TRIFOLA KANDE MAMATA BANERJEE JEMUN ``JALSOVON``K CLEAN CHIT DIYECHILEN.GARDENREACH KANDE NATER GURU ``FIHAD HAKIM``.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।