তথ্য প্রযুক্তি আইনের সংস্কার করবে কেন্দ্র

Update: November 29, 2012 20:14 IST

দেশ জুড়ে সমালোচনার জেরে অবশেষে ২০০০-এর তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৬৬-র এ ধারা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিল সরকার। ঘটনাচক্রে আজই সুপ্রিম কোর্টে এই আইন সংশোধন নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা গৃহীত হয়। তার বেশ কিছু পরে এই আইন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত জানায় কেন্দ্র।

প্রধান বিচারপতি আলতামাস কবীরের নেতৃত্বে গঠিত একটি বেঞ্চ আজ জানায় সাম্প্রতিক অনভিপ্রেত ঘটনাগুলির পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনে স্যুয়ো মোটো বিচারাধিকার প্রয়োগ করা হতে পারে। এত দিনেও এই ধারাকে কেউ চ্যালেঞ্জ করেনি কেন সে বিষয়েও বিস্ময় প্রকাশ করে এই বেঞ্চ।

দিল্লির এক ছাত্রী শ্রেয়া সিংঘলের দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলা জরুরী ভিত্তিতে শুনানি শুরু করবে শীর্ষ আদালত। যদিও, সরকারই এখন এই ধারা পরিপর্তন করার ইঙ্গিত দিয়েছে। সূত্রে খবর, এই ধারা কার্যকরী করার ক্ষেত্রে রাজ্যগুলিকে বেশ কিছু নির্দেশনামা পাঠিয়েছে কেন্দ্র। এই ধারায় অভিযোগ নিতে গেলে স্টেশন হাউস অফিসারের আগে আইজির ডেপুটি কমিশনারের অনুমোদন নিতে হবে।

অম্বিকেশ মহাপাত্র থেকে বাল ঠাকরেকে নিয়ে মহারাষ্ট্রে দুই তরুণী গ্রেফতার, সাম্প্রতিককালে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৬৬-র এ ধারায় বেশ কিছু গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে।

Post Your Comment

Total Comments:1

i think everybody can say anything on any social networking site........it can,t be offence

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।