মোদীর বিরুদ্ধে আডবাণীর কাছে দরবার কেশুভাইদের

Update: June 19, 2012 19:26 IST

বিধানসভা নির্বাচনের বাকি আর মাত্র ছ'মাস। গুজরাট বিজেপিতে অন্তর্কলহ থামার কিন্তু লক্ষ্মণ নেই একেবারেই। মুম্বই অধিবেশনে সঞ্জয় যোশি দলের জাতীয় কর্মসমিতি থেকে বাদ পড়া ইস্তক মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়েছে তার বিরোধী গোষ্ঠী। দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কেশুভাই প্যাটেল ও সুরেশ মেহতার পাশাপাশি এই মোদী-বিরোধী জেহাদে সামিল হয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি কাশীরাম রানা, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী নলীন ভাট। বিজেপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে 'মহাগুজরাট জনতা পার্টি' গঠনকারী প্রাক্তন মন্ত্রী গোর্ধন ঝদাফিয়াও রয়েছেন এই দলে।

মঙ্গলবার সকালে দিল্লি এসে লালকৃষ্ণ আডবাণীর সঙ্গে দেখা করেন মোদী-বিরোধী নেতারা। বিধানসভা ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদীকে সরানোর পাশাপাশি রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদ থেকে মোদী-অনুগামী আর সি ফালডুকেও সরানোর দাবি তুলেছেন তাঁরা। তাত্‍পর্যপূর্ণভাবে এদিন বিহারের বিজেপি উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদীর গলাতেও শোনা গেছে নরেন্দ্র-বিরোধী তীর্যক মন্তব্য। গতকাল বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জনতা দল (ইউনাইটেড) নেতা নীতীশ কুমার এনডিএ জোটের প্রধানমন্ত্রী দাবিদার হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর দাবি কার্যত উড়িয়ে দিয়ে বলেছিলেন, "এনডিএর ঘোষিত প্রার্থীকে সমস্ত শরিকদলের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে। তাঁকে অবশ্যই ধর্মনিরপেক্ষ এবং গণতন্ত্রে আস্থাশীল হতে হবে।" সুশীল মোদী এদিন মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে সরাসরি জানিয়ে দেন, বিতর্কিত কোনও ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরার বিপক্ষে সরব হয়ে উচিত কাজই করেছেন নীতীশ।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।