`বিনয়ী` মোদীর কাছে আসল হিরো ৬ কোটি গুজরাতি

Last Updated: Thursday, December 20, 2012 - 20:33

সারাদিন ঘটে গেল কতকিছু। সকাল থেকেই খবরের বন্যায় ভেসে গেল দেশ। গুজরাতের মসনদে মোদীর হ্যাটট্রিক নিয়ে দেশ তোলপাড়। মোদী কি এবার রাজ্য জিতে দেশ জয়ে নামবেন তা নিয়েই চলল আলোচনা। সব মিলিয়ে আজ দিনটা মোদীর। সারা দিনের ঘটনাকে টাইমলাইনে সাজিয়ে এই প্রতিবেদন।
সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত: চ্যানেলে-চ্যানেলে গুজরাত নির্বাচনের আফটারএফেক্ট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। রাজনৈতিক গবেষকরা বলছেন, বিজেপির কাছে মোদীকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসাবে তুলে ধরা ছাড়া উপায় নেই।
বিকাল ৫ টা: মোদীর জয় নিয়ে কাঁটাছেড়ে শুরু। শহুরে অঞ্চলে যাকে পরিভাষায় বলে আরবান ভোটারদের মন জয় করে ফেলেছেন মোদী। শহরে প্রায় ৭০ শতাংশ অঞ্চলে জয় পেয়েছেন মোদী। তবে গ্রামীন ভোট চিন্তায় রাখল তাঁকে। অনেকেই বলছেন চন্দ্রবাবু নায়ডুর মত শহরে নেতা হয়ে উঠেছেন মোদী।
বিকাল ৪.৩০টা: জনসমক্ষে এলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই জয়কে রাজ্যের ৬ কোটি বাসিন্দার জয় বলে অ্যাখা দিলেন মোদী। মোদীকে অনেক বেশি বিনয়ী শোনাচ্ছে। বললেন, আমার ভুল হলে ক্ষমা করে দিন। নিজের স্বপ্নের কথা বলতে গিয়ে জানালেন, মাই গুজরাত স্লোগানের কথা। তাত্‍পর্যের কথা হিন্দিতে ভাষণ দেন মোদী। এটাকে জাতীয় রাজনীততে পা দেওয়ার ইঙ্গিত হিসাবেই দেখা হচ্ছে।

দুপুর ৩.৩০টা: ১১৬ টা আসন জিতল বিজেপি। বড়দিনে শপথ নিতে চলেছেন মোদী এমনটাই খবর।
দুপুর ৩টা: গুজরাতে কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে পদত্যাগের হিড়িক। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁডালেন অর্জুন মোদওয়াদিয়া। সঙ্গে রাজ্যে অন্তত দশজন শীর্ষস্থানীয় কংগ্রেস নেতা সরে দাঁড়ালেন।
দুপুর ২.৪৫টা: নীতিন গড়করি জানালেন," মোদির নেতৃত্বে গুজরাট উন্নয়নের রাস্তায় এ ভাবেই এগিয়ে যাবে। রাজ্যবাসী উন্নয়নের রাজনীতির পক্ষে ভোট দিয়েছেন।"
দুপুর ২.৩০টা: লালকৃষ্ণ আডবানি বললেন, "গুজরাতে খুবই তৃপ্তিদায়ক ফল হল। হিমাচলেও জিতব আশা করেছিলাম"।
দুপুর ২টা: মণীনগর কেন্দ্রে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর কংগ্রেস প্রার্থী শ্বেতা ভাটের বিরুদ্ধে নরেন্দ্র মোদী জিতলেন ৮৬,৩৭৩ ভোটে। কেশুভাই প্যাটেলও নিজের কেন্দ্রে জিতলেন। মহাত্মা গাঁন্ধীর জন্মভূমি পোরবন্দরে কংগ্রেসের নিশ্চিত আসনে জয়ী বিজেপির প্রার্থী বাবু বোখিরিয়া। ন্যানোর জন্মস্থান সানন্দে কংগ্রেসের অবাক জয়। ২০০২ ভয়াবহ দাঙ্গার কেন্দ্রস্থলে গোধরায় জিতল বিজেপি। গতবার গোধরায় জিতেছিল কংগ্রেস।
দুপুর ১.৪৫টা: প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়ে পরাজয় মেনে নিলেন পাহাড়ী রাজ্যের প্রাক্তন বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী শান্তা কুমার।
দুপুর ১টা ৩০টা: হিমাচল প্রদেশের সব কটি আসনের ফলাফল ঘোষিত হল। কংগ্রেস নিরুঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল। কংগ্রেস জিতল ৩৬টি আসনে, বিজেপি জয় পেল ২৬টি আসনে। মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন সে বিষয়ে এখনই সরকারি সিদ্ধান্ত জানালো না কংগ্রেস।
দুপুর ১২.৩০টা:
লালকৃষ্ণ আদবানী, অরুন জেটিল থেকে সুষমা স্বরাজ, নীতিন গড়কড়িদের বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা মোদীর জয় নিয়ে উচ্ছ্বসিত। তবে মোদীকে প্রধানমন্ত্রী পদে তুলে ধরা হবে কি না সেই প্রশ্ন করা হলেই সবাই ঢোক গিলছেন।
দুপুর ১২টা: গুজরাতে ২০০৭ বিধানসভার ফলাফলের পুনঃরাবৃত্তি হতে চলেছে। গতবার বিজেপি পেয়েছিল ১১৭ টি আসন, কংগ্রেস জিতেছিল ৫৯টিতে। এবারও সেইরকমই হতে চলেছে। কেশুভাই প্যাটেলের দলের ফলাফল বেশ হতাশার। মাত্র দুটি কেন্দ্রে জয়ী কেশুভাইয়ের দল গুজরাত পরিবর্তন পার্টি।
সকাল ১১.৩০টা: গুজরাতে হার স্বীকার কংগ্রেসের। পি চিদাম্বরম বললেন, গুজরাতের ফলাফলের সঙ্গে লোকসভা নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই।

সকাল ১১টা:
টুইটারে মোদী বন্দনা। একের পর এক টুইটে মোদীকে নিয়ে উচ্ছ্বাস। অনেকেই লিখলেন গুজরাত কা সিএম বেনাগা পিএম। তবে নীতিশ কুমারের দলের এক সাংসদের টুইটে কাটল তাল। তিনি কিছুটা ঘুরিয়ে লিখলেন, মোদীকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মেনে নেওয়া কঠিন জেডিইউয়ের।
সকাল ১০.৪৫টা: মোদী আগের সব জয়ের রেকর্ডকে ছাপিয়ে যাবেন কি? এই প্রশ্নই উঠছে দেশজুড়ে। দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরের সামনে বিজয় উল্লাস। হিমাচলে জিতেও কংগ্রেস সদর দফতর কিছুটা মনমরা।
সকাল ১০.০৯টা: মোদীর টুইট, "পিছনে তাকিয়ে লাভ নেই, এগিয়ে চল। আমাদের অফুরন্ত শক্তি চাই, উত্‍সাহ চাই, আর চাই ধৈর্য্য"
। ("No need of looking behind, FORWARD! We want infinite energy, infinite courage, infinite patience...")

সকাল ১০.৩০টা:
চিত্র পরিষ্কার। গুজরাতের মসদনদ ধরে রাখছেন মোদী। হিমাচলে পালবদল হয়ে ক্ষমতায় কংগ্রেস।

সকাল ১০.১৫টা:
মণিনগর কেন্দ্রে এগিয়ে নরেন্দ্র মোদী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর কংগ্রেস প্রার্থী শ্বেতা ভাটের চেয়ে মোদী এগিয়ে প্রায় ৫০ হাজার ভোটে। নিজের কেন্দ্রে জয়ের পথে এগোচ্ছেন কেশুভাই প্যাটেলও।
সকাল ১০টা: হিমাচলে পালাবদলের ইঙ্গিত। ২০টি কেন্দ্রে এগিয়ে কংগ্রেস, বিজেপি এগিয়ে ১২টিতে।
সকাল ৯.৪৫টা: গুজরাটে হ্যাটট্রিকের পথে মোদী। ১০০টা কেন্দ্রের মধ্যে বিজেপি ৭০টি কেন্দ্রে এগিয়ে।
সকাল ৯.৩০টা:
হিমাচল প্রদেশে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে চলছে ভোটগ্রহণ। কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা কংগ্রেস-বিজেপির।
সকাল ৯টা:
গুজরাতে গণনার শুরুতেই এগিয়ে বিজেপি। ৫০টি কেন্দ্রের মধ্যে নরেন্দ্র মোদীর দল এগিয়ে ৩০টি কেন্দ্রে।
সকাল ৮টা: গুজরাতে ভোট গণনা শুরু। গোটা রাজ্যে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা।



First Published: Thursday, December 20, 2012 - 20:44


comments powered by Disqus