প্রয়াত হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায়

Update: January 5, 2013 13:43 IST

চলে গেলেন প্রখ্যাত অভিনেতা হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায়। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত কয়েকদিন কলকাতার এক বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি ছিলেন তিনি। আজ বেলা ১২টা বেজে ৪০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

১৯২৬-এ ৬ নভেম্বর বাংলাদেশের কুষ্টিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৪৮-এ `দেবদূত` সিনেমার হাত ধরে বাংলা চলচ্চিত্র জগতে আত্মপ্রকাশ করেন হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর শতাধিক বাংলা সিনেমায় দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে এসেছেন শক্তিশালী এই অভিনেতা। বহু টেলিসিরিয়ালেও তাঁকে দেখা গেছে। অভিনয় করেছেন বেশ কিছু হিন্দি সিনেমাতেও। মূলত চরিত্রাভিনেতা হারাধন বাবু প্রতি ক্ষেত্রেই তাঁর অসামান্য প্রতিভার সাক্ষর রেখেছেন।

`জয় বাবা ফেলুনাথ`, `যদি জানতেম`, `শাখাপ্রশাখা`, `সোনার কেল্লা`, `গুপি বাঘা ফিরে এল` সহ বহু বিখ্যাত সিনেমার অবিচ্ছেদ্দ্য অঙ্গ ছিলেন বরিষ্ঠ এই অভিনেতা। অভিনয় করেছেন বরফি, পরিণীতার মত হিন্দি ছবিতেও। ২০০৫-এ `ক্রান্তিকাল`-র জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ সহ অভিনেতার জাতীয় পুরষ্কার পান। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বাংলা চলচ্চিত্র জগতে।





Post Your Comment

Total Comments:10

sidhu jettha tomai bhulbo na.

We lost one the great actors of our childhood

We lost one the great actors of our childhood

We lost one the great actors of our childhood

We lost one the great actors of our childhood

Deeply shocked to know the death of a great character in Bengali-flim and stage.It is a loss to the Bengali-cine lovers.

We lost a guardian of bengali cinema.

Very sad :(

very sad news.. cant believe..

The end of a era in bengali films.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।