সুইসাইড নোট বিতর্কে ইস্তফা কান্ডার

Update: August 6, 2012 13:13 IST

দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যে শেষপর্যন্ত ইস্তফা দিলেন হরিয়ানার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গোপাল কান্ডা। এক বিমানসেবিকার আত্মহত্যার ঘটনায় নাম জড়িয়ে গিয়েছে হরিয়ানার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। সুইসাইড নোটে আত্মহত্যার জন্য গোপাল কান্ডাকে দায়ী করেছেন তাঁরই বিমানসংস্থার প্রাক্তন কর্মী গীতিকা শর্মা। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও মিথ্যে বলে উড়িয়ে দিয়েছেন গোপাল কান্ডা।  

হরিয়ানার এমডিএলআর বিমানসংস্থার প্রাক্তন কর্মী গীতিকা শর্মার আত্মহত্যা তোলপাড় ফেলে দিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। দিল্লির অশোক বিহারে নিজের ফ্ল্যাটে রবিবার আত্মঘাতী হন গীতিকা। সুইসাইড নোটে নিজের মৃত্যুর জন্য হরিয়ানার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তথা এমডিএলআর বিমানসংস্থার মালিক গোপাল কান্ডাকে দায়ী করেছেন গীতিকা। অভিযোগ উঠেছে মানসিক নির্যাতনের। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকে কান্ডার ওপর হরিয়ানা মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য চাপ বাড়ছিল। স্বরাষ্ট্র দফতর ছাড়া নগরোন্নয়ন এবং শিল্প-বাণিজ্য দফতরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন তিনি। অবশেষে রবিবার রাতে নিজের ইস্তফাপত্র মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়ে দেন কান্ডা।   
 
উদ্ধার হওয়া সমস্ত তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখার পর মন্ত্রীকে ডেকে পাঠানো হতে পারে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিস। আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে আইপিসি ৩০৬ ধারায় পুলিস ইতিমধ্যে গোপাল কান্ডার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। গীতিকার পরিবারের অভিযোগ, ওই বিমানসংস্থা থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরেও ফের কাজে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁর উপর চাপ দিচ্ছিলেন কান্ডা। কান্ডার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী ভূপিন্দর সিং হুডা।
 







Post Your Comment

Total Comments:1

Ati khubi Marmantik ghatona.ata jani j Amader minister`der ai ti O.T(Over Time) tabe bapre ta bhalo kore dekha uchit

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।