প্রাণ বাঁচাতে প্রাণ নিতেও প্রস্তুত যুবরাজ হ্যারি

Update: January 22, 2013 17:19 IST

প্রাণ বাঁচাতে হলে প্রাণ নিতেও হবে। আফগান সীমান্ত থেকে ফেরার পথে ফেরার পথে এই কথাই বললেন যুদ্ধরত যুবরাজ হ্যারি।

গত সোমবারই শেষ হয়েছে তাঁর ২০ সপ্তাহের দ্বিতীয় পর্যায়ের কর্মসময়। আফগানিস্তানে ব্রিটিশ ঘাঁটি ক্যাম্প ব্যাস্টিওনে অ্যাপাচে কো-পাইলট হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন প্রিন্স হ্যারি।

সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুবরাজ বলেন যুদ্ধক্ষেত্রে সকলের মতো অনেক মানুষের প্রাণই নিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, "একটি প্রাণ বাঁচাতে গেলে একটি প্রাণ নিতে হয়। আমরা এই নিয়মেই আবর্তিত হই বলে আমি মনে করি।" যুদ্ধে গুলি চলার প্রয়োজন থাকলেও মূলত তাঁর দাবি তাঁরা মূলত প্রশমনের কাজ করেন।

সোমবার পর্যন্ত ব্রিটিশ বায়ুসেনার ৬৬২ বিভাগে কর্তব্যরত ছিলেন যুবরাজ হ্যারি। স্থল বাহিনীর সেনাদের সাহায্য করা থেকে শুরু করে চিনুক ও মার্কিন ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারে আহত সেনাদের নিয়ে যেতে সাহায্য করার দায়িত্বে ছিলেন তিনি। সহযোদ্ধাদের কাছে `ক্যাপ্টেন ওয়েলস` নামেই বেশি পরিচিত হ্যারি।

বেস ক্যাম্পে, যুবরাজ নন, সাধারণ সেনা হিসেবেই থাকেন বলে দাবি করেছেন তিনি। তবে ক্যাম্প ব্যাস্টিওনে নয়, তিনি টহলদারি চৌকিতে কাজ করতে আগ্রহী বলেও জানিয়েছেন তিনি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।