চিদাম্বরমের বিরুদ্ধে ভোট কারচুপির মামলা চালানোর রায় হাইকোর্টের

Update: June 7, 2012 15:07 IST

শিবগঙ্গা-কাঁটা থেকেই গেল পালানিয়াপ্পন চিদাম্বরমের গলায়! ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে তামিলনাড়ুর এই কেন্দ্র থেকে তাঁর নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের হওয়া মামলা খারিজ করতে অস্বীকার করেছে মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে অনিয়ম সংক্রান্ত মোট ২৯টি মামলার মধ্যে ২টি খারিজ করেছেন বিচারপতি কে ভেঙ্কটরামন।

২০০৯ সালে শিবগঙ্গা লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী পি চিদাম্বরম ৩,৩৫৪ ভোটে তাঁর এআইএডিএমকে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজা কান্নপ্পনকে পরাজিত করেছিলেন। কিন্তু চিদাম্বরমের বিরুদ্ধে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ভোটে কারচুপি, বেআইনিভাবে টাকা বিতরণ, ভোট গণনায় অনিয়ম-সহ বিভিন্ন অভিযোগে আদালতে মামলা করেন রাজা কান্নপ্পন। ২০০৯ সালের ২৫ জুন দায়ের করা এই মামলায় আলানগুড়ি কেন্দ্রে পুনর্গণনারও দাবি জানান পরাজিত এআইএডিএমকে নেতা। এদিন চেন্নাই হাইকোর্টের বিচারপতি ভেঙ্কটরামন পি চিদাম্বরমের বিরুদ্ধে ভোটের সময় নিয়ম ভেঙে ব্যাঙ্ক অফিসারদের কাজে লাগিয়ে অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত দু`টি মামলা খারিজ করে দিয়েছেন। তবে নির্বাচনে কারচুপির জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা বাতিল করার আর্জি খারিজ করেন তিনি। হাইকোর্ট এই রায় ঘোষণার পরই অবিলম্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে চিদাম্বরমের পদত্যাগ দাবি করেন, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তথা এআইএডিএমকে সুপ্রিমো জয়ললিতা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।