ছাত্রীদের সামনেই চূড়ান্ত হেনস্থার প্রধান শিক্ষিকাকে

Update: April 19, 2012 20:22 IST

স্কুলের ছাত্রীদের সামনেই প্রধান শিক্ষিকাকে চুড়ান্ত হেনস্থা করল একদল বহিরাগত। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা নাগাদ ভবাণীপুর খালসা স্কুলে ঢুকে পড়ে একদল বহিরাগত। স্কুলে ঢুকেই তারা সোজা চলে যায় প্রধান শিক্ষিকার ঘরে। এরপর প্রধান শিক্ষিকাকে ঘিরে প্রায় একঘণ্টা ধরে চলে হুমকি। প্রধান শিক্ষিকার অভিযোগ, ওই বহিরাগতরা পদত্যাগ করতে হবে বলে দাবি জানায়। এমনকী এখনই পদত্যাগ না করলে তাঁকে শারীরিক নিগ্রহেরও হুমকি দেওয়া হয়।

বহিরাগত ব্যক্তিরা একটি পদত্যাগ পত্র তারা সঙ্গে নিয়ে এসেছিল বলেও অভিযোগ। শুধু বৃহস্পতিবারই নয়, বুধবারও এই বহিরাগতরা স্কুলে এসে হুমকি দিয়ে গিয়েছিল প্রধান শিক্ষিকাকে। সমস্ত ঘটনা জানিয়ে ভাবনীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন প্রধান শিক্ষিকা। যদিও পুলিসের তরফে এখনও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।  গোটা ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন স্কুলের অন্যান্য শিক্ষিকারাও। বহিরাগতরা হুমকি দিয়ে গিয়েছে, প্রধান শিক্ষিকা স্কুলে ঢুকলে আবার তারা আসবে। কয়েক জন বহিরাগত কোন ক্ষমতায় একটি স্কুলে ঢুকে প্রধান শিক্ষিকাকে পদত্যাগের হুমকি দিয়ে যায়, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।






Post Your Comment

Total Comments:2

this is the third case of west bengal. So now 10is 10.

What a disgusting state of affair. This is a failure of the govt. otherwise how dare outsiders threat a headmistress. If at all she has done anything wrong, it is the education department which is to take action and not some non govt. persons. This is nothing but lawlessness. The district education officer must initiate action against the intruders.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।