শোকের ছায়াচ্ছন্ন শহীদ হেমরাজের গ্রাম

শেরনগর। মথুরার কাছে অখ্যাত এক গ্রাম। উত্তরপ্রদেশের হাড় কাঁপানো ঠান্ডাকে অগ্রাহ্য করেই, বুধবার সেখানে হাজির হয়েছিলেন অসংখ্য গ্রামবাসী। কারণ, গ্রামের হেমরাজ নামের ছেলেটা আর বেঁচে নেই! পুঞ্চের মেন্ধর সেক্টরে পাকসেনার মোকাবিলা করতে গিয়ে শহিদ হন হেমরাজ। শোকে ভারাক্রান্ত তাঁর পরিবার। কিন্তু দেশের জন্য ঘরের ছেলে যেভাবে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে, তাতে তাঁরা গর্বিত।

Updated: Jan 10, 2013, 11:03 AM IST

শেরনগর। মথুরার কাছে অখ্যাত এক গ্রাম। উত্তরপ্রদেশের হাড় কাঁপানো ঠান্ডাকে অগ্রাহ্য করেই, বুধবার সেখানে হাজির হয়েছিলেন অসংখ্য গ্রামবাসী। কারণ, গ্রামের হেমরাজ নামের ছেলেটা আর বেঁচে নেই! পুঞ্চের মেন্ধর সেক্টরে পাকসেনার মোকাবিলা করতে গিয়ে শহিদ হন হেমরাজ। শোকে ভারাক্রান্ত তাঁর পরিবার। কিন্তু দেশের জন্য ঘরের ছেলে যেভাবে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে, তাতে তাঁরা গর্বিত।
ঘরের ভিতর স্টিল ফ্রেমে বাঁধানো ছবিটা সময়ের সঙ্গে অনেকটাই মলিন হয়ে গিয়েছে। কিন্তু গোটা দেশের নজর আপাতত এই ছবির দিকেই। ল্যান্স নায়েক হেমরাজ। পুঞ্চের মেন্ধর সেক্টরে হেমরাজ এবং তাঁর সঙ্গী সুধাকর সিংকে পাকসেনা যেভাবে হত্যা করেছে, তা নিয়ে ক্ষুব্ধ গোটা দেশ। খবর পাওয়ার পর থেকে প্রায় গোটা গ্রামটাই বাড়ির সামনে ভেঙে পড়েছে। তিন ভাইয়ের সংসারে একমাত্র চাকরিজীবী ছিলেন হেমরাজ। তাঁর মৃত্যু পরিবারকে গভীর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। তার মধ্যেও পরিবারের এক সদস্য জানালেন, হেমরাজের মৃত্যুতে তাঁরা শোকাহত। কিন্তু একই সঙ্গে গর্বিতও। 
স্ত্রী ধরমবতী কেঁদেই চলেছেন। একই অবস্থা মায়েরও। আর হেমরাজের তিন সন্তান! ছুটি নিয়ে বাবা যে আর বর্ডার থেকে বাড়িতে আসবে না, সেকথা বুঝে গিয়েছে ওরাও।