হিলারির পাতে ভীমনাগের সন্দেশ

Update: May 6, 2012 19:54 IST

রবিবারই কলকাতায় পৌঁছেছেন মার্কিন বিদেশসচিব হিলারি ক্লিন্টন। আগামিকাল মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। তার আগে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার জালে ঘিরে ফেলা হয়েছে গোটা মহাকরণ চত্বর। হিলারির অভ্যর্থনায় এতটুকু ত্রুটি না রাখতে নতুন করে সেজে উঠেছে মহাকরণ। আর সম্মানীয় অতিথিকে মিষ্টি অভ্যর্থনা জানাতে স্ন্যাক্সের প্লেটে সাজিয়ে তুলবে মহানগরের ঐতিহ্য ভীমনাগের সন্দেশ। দুই শতাব্দী প্রাচীন মিষ্টান্ন প্রস্তুত কারক সংস্থার আশা, তাদের সন্দেশের প্রেমে মজবেন মার্কিন বিদেশ সচিব।

উদ্বোধন ১৮২৬ সালে। তারপর, দু'শতাব্দী ধরে ভীমনাগ আর বাঙালির ভালোবাসার সম্পর্কটা ক্রমশই দৃঢ় হয়েছে। ভীমনাগের অনুরাগীর দলে যুগে যুগে নাম লিখিয়েছেন বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। মার্কিন বিদেশ সচিবের নামটিও কি সেই তালিকায় ঢুকতে চলেছে? উত্তরের জন্য অপেক্ষা আরও কয়েক ঘণ্টার। বাঙালির পঞ্চব্যঞ্জনের ঐতিহ্যের কথা মাথায় রেখে হিলারি ক্লিন্টনের সম্মানে ৫ ধরনের সন্দেশ পাঠানোর কথা ভেবেছেন দোকান মালিক। ভীমনাগের মিষ্টির পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী হিলারির হাতে তুলে দেবেন বাংলার ঐতিহ্যশালী বালুচরী ও কাঁথা স্টিচের শাড়ি।





Post Your Comment

Total Comments:2

banglar KRISHAK er hate phashir dori , mukhe bishh r Hilory Clinton er mujkhe BHIM NAG ER MISTY........hasbo na kadbo boojhte parchina........

banglar KRISHAK er hate phashir dori , mukhe bishh r Hilory Clinton er mujkhe BHIM NAG ER MISTY........hasbo na kadbo boojhte parchina........

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।