১০০ টনের রূপোলি শস্য দিঘায়

Update: September 8, 2012 21:42 IST

চলতি মরসুমে সর্বাধিক ইলিশ উঠল দিঘার সমুদ্রে। একশো টনেরও বেশি ইলিশ উঠেছে বলে জানা গেছে। গত দুমাসে কমবেশি ইলিশ উঠলেও একসঙ্গে এত ইলিশ ওঠায় খুশির হাওয়া মৎস্যজীবীদের মধ্যে।

শনিবার দিঘার সমুদ্রে একশো টন ইলিশ উঠল মৎস্যজীবীদের জালে। এক একটি লঞ্চে প্রায় চার থেকে ছয় লক্ষ টাকার ইলিশ উঠেছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন পরে একসঙ্গে এত ইলিশ ওঠায় লাভের মুখ দেখেছেন মত্স্যজীবীরা। গত কয়েকদিনের ইলশে গুড়ি বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণেই এই পরিমাণ ইলিশ উঠেছে বলে দাবি মৎস্যজীবীদের। চাহিদা অনুযায়ী যোগান কম থাকায় রূপোলি শস্যের দাম কমছিল না। কিন্তু শনিবার নতুন করে এত ইলিশ ওঠায় দাম কমার আশায় বুক বাধছেন ক্রেতারাও।

চারশো থেকে পাঁচশো গ্রাম ওজনের ইলিশ বিকোচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। ছশো থেকে সাড়ে সাতশো গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা। আর এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ বিকোচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায়।

শীর্ঘ্রই রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে পৌঁছবে দিঘার ইলিশ। পদ্মার ইলিশ না হলেও বাঙালির রসনা তৃপ্তিতে দিঘার ইলিশ অনেকটাই সহায়ক হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Post Your Comment

Total Comments:3

Ahhh sunao santi.....

100 tones hilsa at digha

good news.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।