পাক চর সন্দেহে জেরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক আধিকারিককে

Update: March 4, 2013 15:22 IST

পাকিস্তানকে গোপন তথ্য সরবারহ করার সন্দেহে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক আধিকারিককে আজ জেরা করা হল। সূত্রের খবর সুমার খান নামের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ওই কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে গোপন তথ্য সরবারহ করেছিলেন। সম্প্রতি ভারতীয় বায়ু সেনা পোখরানের কাছে সীমান্ত বরাবর `আয়রন ফার্স্ট` কার্যকলাপ প্রদর্শন করে। এই কার্যকলাপের গোপন খবর ইসলামাবাদে সরবারহ করার অপরাধে গত মাসে রাজস্থান পুলিস সুমার খানকে গ্রেফতার করে।

`আয়রন ফার্স্ট` কার্যকলাপটিতে ভারতের বায়ু সেনা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সামনে নিজেদের সর্বশক্তির প্রদর্শন করে ছিল।

রাজস্থান পুলিস দাবি করেছে সুমার খান ইসলামাবাদে ভারতীয় প্রতিরক্ষা ও সেনাবাহিনীর গতিবিধির খবর সরবারহ করতেন।

Post Your Comment

Total Comments:1

Aisob kukur gulo ke guli kora mara uchit.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।