বেলেঘাটাতে দুষ্কৃতী তান্ডব, ছাড়া পেলেন না গর্ভবতী মহিলাও

Update: November 16, 2012 17:48 IST

শহরে জমি দখলে বাধা দেওয়ায় এক পরিবারের ওপর তাণ্ডব চালাল দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার নারকেলডাঙা মেইন রোডে। কালীপুজোর রাতে স্থানীয় বাসিন্দা প্রদীপ দাসের বাড়িতে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। দুষ্কৃতীদের হাত থেকে রেহাই পাননি বাড়ির অন্তঃসত্ত্বা মহিলাও। তাকে মারধরের পাশাপাশি, জোর করে জমির অংশ লিখিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ এই দুষ্কৃতীরা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা পরেশ পালের ঘনিষ্ঠ। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

দীর্ঘদিন ধরেই একটি জমিকে কেন্দ্র করে বিবাদ আঠেরো বাই এক নারকেল ডাঙা মেইন রোডের বাসিন্দা প্রদীপ দাস এবং তাঁর প্রতিবেশি সোমনাথ দত্তের। আক্রান্ত প্রদীপ দাসের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে জমি জোর করে লিখিয়ে নিতে কালীপুজোর রাতে প্রদীপ দাসের বাড়িতে হানা দেয় ১০-১২জনের সশস্ত্র দুষ্কৃতী দল। বাসিন্দাদের মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে বিতর্কিত জমি লিখে দিতে বলে দুষ্কৃতীরা। রাজি না হওয়ায়, আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। পরিবারের সদস্য অন্তঃসত্ত্বা তপতী দাসের পেটে লাথি মারে তারা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে এনআরএস হাসপাতালে। দাস পরিবারের অভিযোগ, সোমনাথ দত্তই দুষ্কৃতীদের ভাড়া করে। দুষ্কৃতীরা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা পরেশ পালের ঘনিষ্ঠ বলেও অভিযোগ। ঘটনার পরের দিন এই বাড়িতে স্থানীয় বিধায়ক পরেশ পাল গিয়েছিলেন। তবে এ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি কোনও কথা বলতে অস্বীকার করেন।

ঘটনার পরদিন বেলেঘাটা থানায় ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু তিনদিন পরেও অধরা অভিযুক্তরা। সকলের বিরুদ্ধেই জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা শুরু করেছে পুলিস।  

Post Your Comment

Total Comments:3

it is quite unfortunate and disgusting that women are most unsafe in a state run by a woman.why the so called intellectuals are not protesting? I feel the sooner president`s rule is imposed better it will be for west Bengal. I would like to know When I would be spared of the agony of listening to the heart breaking stories of torture specially on women? Does our CM have an answer?

Ei banglai attacharer ses katha trinomul....agami dine samule utpatix korte habe...eder....lajja chara kichu bhasa nei bolbar.

বাংলা তোমাকে দিলাম... আমার পরশে তোমার দুঃস্বপ্নের দিনগুলি !!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।