রোনাল্ডোর স্বীকারোক্তি, মেসি আমার বন্ধু নয়

Update: November 4, 2012 22:51 IST

আধুনিক বিশ্ব ফুটবলের দুই মেগাস্টারের সম্পর্কটা ঠিক কেমন তা নিয়ে রীতিমত গবেষণা চলে। লিওনেল মেসি আর ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। বিশ্ব ফুটবলের এই দুই তারকার সম্পর্কে যে দারুণ কিছু নয় সেটা সবারই জানা। কিন্তু এই সম্পর্ক নিয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো যা বললেন তা খবরই হওয়ার কথা। রোনাল্ডো বলেছেন, "মেসি বড় ফুটবলার কিন্তু ওর সঙ্গে আমার ঠিক বন্ধুত্বের সম্পর্ক নেই। ওর সঙ্গে আমার সম্পর্কটা আর পাঁচজন পেশাদার ফুটবলারের মত।" কদিন আগে এই বিষয়ে মেসিও কিছুটা একই রকম কথা বলেছিলেন। তবে অবশ্য এতটা সরাসরি নয়।

এদিকে, লা লিগায় দুরন্ত ফর্ম অব্যাহত বার্সেলোনার। সেল্টা ভিগোকে ৩-১ গোলে হারিয়ে লিগের শীর্ষস্থান ধরে রাখল স্পেনের চ্যাম্পিয়ন দলটি। লিগের দশটি ম্যাচের মধ্যে নটিতেই জয় পেল তারা। ১১৩ বছরের লা লিগার ইতিহাসে এটাই বার্সেলোনার সবচেয়ে ভাল শুরু। খেলার ২১ মিনিটে পেড্রোর পাস থেকে গোল করে বার্সাকে এগিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান অ্যাড্রিয়ানো। যদিও সেই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি তারা। তিন মিনিটের মধ্যেই মারিও-র গোলে সমতা ফেরায় সেল্টা। দু মিনিটের মধ্যেই ইনিয়েস্তার পাস থেকে গোল করে ফের একবার বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন স্পেনের জাতীয় দলের স্ট্রাইকার ডেভিড ভিয়া। প্রথমার্ধে ২-১ গোলেই এগিয়ে ছিল বার্সেলোনা। ৬১ মিনিটে জর্ডি আলবার গোল বার্সেলোনার জয় নিশ্চিত করে দেয়।

লা লিগায় ক্রমেই ছন্দে ফিরছে রিয়াল মাদ্রিদ। ঘরের মাঠে রিয়াল জারাগোজাকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিলেন হোসে মোরিনহোর ছেলেরা। গোটা ম্যাচে একচ্ছত্র দাপট দেখান গতবারের লিগ চ্যাম্পিয়নরা। ২৩ মিনিটে গঞ্জালো হিগুয়েনের গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি রিয়ালকে। দু মিনিটের মধ্যেই অ্যাঞ্জেল দি মারিয়ার গোলে ব্যবধান বাড়ায় হোসে মোরিনহোর দল। দ্বিতীয়ার্ধে রিয়ালের হয়ে আরও দুটি গোল করেন মাইকেল এসিয়েন আর নতুন রিক্রট লুকা মদ্রিচ। জিতলেও লিগ তালিকার শীর্ষে থাকা বার্সেলোনা থেকে আট পয়েন্টে পিছিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।