বিধাননগরবাসীর নিরাপত্তা বাড়াতে পরিচয়পত্র

Update: July 1, 2012 11:56 IST

পরপর বেশ কয়েকটি ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে বিধাননগরের নিরাপত্তা। বার বার প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে প্রশাসনিক নিরাপত্তা। এই পরিস্থিতিতে অপরাধ রুখতে এবার সচিত্র পরিচয়পত্র চালু করছে বিধাননগর কমিশনারেট। পরিচারক, পেয়িং গেস্ট, গাড়ির চালকদের নাম ঠিকানা ও ছবি সহ বিস্তারিত বিবরণ পুলিসের কাছে জমা দিতে হবে। ইতিমধ্যেই ওই এলাকার প্রত্যেক বাড়িতে ফর্ম দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।  

পরিচারক এবং গাড়িচালকের কাজ করার জন্য বহু মানুষ আসেন বিধাননগরে। এছাড়াও পেয়িং গেস্ট হিসেবেও থাকেন অনেকেই। যাঁদের সঠিক পরিচয় জানা সম্ভব হয়ে ওঠে না। এদের প্রত্যেকের ছবি সহ নাম ও ঠিকানা লিখে পুলিসের কাছে জমা দেওয়ার জন্য বাড়ি বাড়ি ফর্ম দেওয়ার কাজ শুরু করেছে পুলিস। বিভিন্ন আবাসনগুলিকেও এই ফর্ম পূরণ করে জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বিধাননগরবাসী।

পরিচয়পত্র চালু হলে নিজেদের যেমন সুরক্ষার ব্যবস্থা হবে, পাশাপাশি পুলিসের ক্ষেত্রেও অপরাধ আটকাতে বিশেষ সুবিধা হবে বলে মনে করছেন বিধাননগরের বাসিন্দারা।







Post Your Comment

Total Comments:2

chor ba dakatra ki churi-dakatir somoy porichoy potro dekhe churi korbe,,,!!! naki police rastay jatayat kora lokeder id proof check korbe...!!!! nirapotta id card diye barano jay na .......

ata kub valo kaj.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।