`বিপ্লব সময় চায়`, তাই জেহাদ জারি রাখবেন শর্মিলা

Update: March 5, 2013 23:30 IST

সেনাবাহিনির স্পেশল পাওয়ার অ্যাক্ট প্রত্যাহারের দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাবেন মণিপুরের অগ্নিকন্যা। সরকারের চাপের মুখে কোনও মতেই হার মানতে রাজি নন ইরম শর্মিলা। এদিন সংবাদমাধ্যমে শর্মিলা জানান, "আমি সাধারণ মানুষের জন্যই কাজ করছি।" বিশেষ করে আফসপা উপদ্রুত রাজ্যগুলির জন্য কাজ করে যেতে চান শর্মিলা। এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। এ দেশের মানুষের সুবিচার পাইয়ে দেওয়ার স্বার্থে তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন শর্মিলা।

টানা ১২ বছর ধরে অনশন চালিয়ে যাওয়া এই সমাজকর্মী রাজনৈতিক নেতাদেরও তাঁর মতকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "আমাদের নেতাদের আমার অহিংস আন্দোলনের কথা শোনা উচিত।"

এক যুগ ধরে চালিয়ে যাওয়া আসফা বিরোধী অনশনে জবাব দিতে সরকারের এত বিলম্ব কেন? এই প্রশ্নের জবাবে মণিপুরের অগ্নিকন্যা বলেন, "বিপ্লব সময় চায়। আমিও শান্তি আর সুবিচারের আশাই করি।" ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে "মানুষের জন্যই সব আন্দোলন হয়", মত শর্মিলার।


Post Your Comment

Total Comments:2

senabahinir haate manus marar kshomota bola jete pare manus marar licence. suruksha bahinir ajuhat dekhiye anyay rokom dapadapi, bondukbuz er moto hungkar.chhele manuser moto somaj birodhi khojhar naam kore gramer lokeder baarite atyachar, na sune jukti torker hisab nikash. jehetu yarki fajlami kore kauke mere dileo guli kore marleo kono rokom jobabdihi korte hoyna. uportolar sahebra nijer kormider bachiye nneoyar chahida. anyay promanito holeo kono rokom shastir bebostha nei. nijera mara gele familir janye aarthik package paoya jay, r sadharon manuskse mere flle familitake vaasiye deoyar moto.

SPECIAL PWERACT ER FOLE JEBHABE MANUSER KSHOTI HOYE CHOLECHHE SETA CUT CHHAT KORA KHUB JORURI, KINTU AAMADER SOMAJ BEBOSTHA KENO ATO DERITE BUJHE SHEKHE. SHARMILA JETA KORCHHEN SETA AAMDER SOKOLER SOMORTHON KORA UCHIT R EI AANDOLONER SONGE SAMIL HOYA UCHIT. KINTU JEISOB AANDOLON DELHI KENDRIK HOY SEISOB AANDOLON KHUB SARAPORE JAY SARADESHMOY, ATODINEO KENO KONO JONOPROTINIDHI TAR EI SARBIK AANDOLONER SONGE SAMIL HOLONA. UNAR EI AANDOLONER KI KONO MULYO NEI ,

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।