বঢরার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর জেরে বদলি আইএএস

Update: October 16, 2012 12:39 IST

জমি কেলেঙ্কারি নিয়ে রবার্ট বঢরার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর পরই বদলি করা হল হরিয়ানার এক আইএএস আধিকারিককে। একটি ইংরেজি টিভি চ্যানেলে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, তদন্ত শুরুর তিন দিনের মধ্যেই ওই আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেজরিওয়ালের আনা অভিযোগের পরই তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেন আইএএস আধিকারিক অশোক খেমকা। হরিয়ানার চারটি জেলায় ওই জমি চুক্তি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়। কিন্তু এরপরই খেমকাকে বদলির সিদ্ধান্ত নেয় হরিয়ানা সরকার। বদলির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে হরিয়ানার মুখ্যসচিবকে লিখিতভাবে জানিয়েছেন অশোক খেমকা।

গত সপ্তাহের শুক্রবারই সদ্য নির্মিত রাজনৈতিক দল আইএসির দুই নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং প্রশান্ত ভূষণ এক সাংবাদিক সম্মলনে রবার্ট বঢরার বিরুদ্ধে সরাসরি আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ এনে বলেন, গত চার বছরে বঢরা নামমাত্র টাকায় ডিএলএফ নামে একটি নির্মাণ সংস্থার কাছ থেকে বহু সম্পত্তি কিনেছেন, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকার কাছাকাছি। এ ছাড়া, ওই সংস্থাটি রবার্টকে কোনও নিরাপত্তা ছাড়াই ৬৫ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিল। এই ধরনের লেনদেনকে অবৈধ বলে তার কারণ জানতে চেয়েছেন তাঁরা।

অন্যদিকে শনিবারই রবার্ট বঢরাকে নিরাপত্তা ছাড়া ৬৫ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে নির্মাণ সংস্থা ডিএলএফ। সোনিয়া-জামাতাকে বিশাল পরিমাণ জমি পাইয়ে দেওয়ার জন্যও কোনও সাহায্য করেনি বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ওই সংস্থাটি।

Post Your Comment

Total Comments:1

I appreciate and also proud for our IPS officer Mr Ashok Khamka.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।