দুর্বল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে খুঁড়িয়ে জয় ভারতের

Update: September 20, 2012 09:01 IST

টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে বুধবার নবাগত আফিগানিস্তানকে ২৩ রানে হারাল টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু তার সঙ্গেই ভারতীয় বোলিং-এর নড়বড়ে কঙ্কালটা ভীষণ ভাবে সামনে চলে এল এই দিন। ক্রিকেট বিশ্বে যথার্ত অর্থে `শিশু` আফগানিদের বিরুদ্ধে ধোনি বাহিনীর জয় টা ভীষণ ভাবেই প্রত্যাশিত ছিল। তবে সেই সহজ জয় পেতে ভারতীয়দের যে এতটা কাঠ-খড় পোড়াতে হবে সেটার আশাও করেননি বোধহয় কেউই। বিরাট কোহলির ব্যাটের উপর ভর করে ৫ উইকেটে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৯ রান তোলে ভারত। জবাবে ১৯.৩ ওভারে ১৩৬ রানে গুটিয়ে গেলেও প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ানদের বিরুদ্ধে একবারের জন্যেও `নভিশ` লাগেনি আফগানিস্তানকে। বরং অভিজ্ঞতার নিরিখে বেশ কিছুটা পিছিয়ে গিয়েই জয়ের থেকে ২৩ রান দূরে থমকে গেল আফগান বাহিনী।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমেই গত কয়েক ম্যাচের `প্রথা` মাফিক দ্রুত প্যাভিলিয়ন মুখী হয়েছিলেন বীরু-গতি জুটি। শুরুটা আশাজনক করেও ব্যক্তিগত মাত্র ১৭ রানের মাথায় আউট হয়ে যান যুবরাজ সিং। প্রত্যাবর্তণের শুরুয়াতটাও তাই স্মরণীয় হলনা যুবির। এই তিন মহারথীর অকাল বিদায়ের পর রক্ষকের ভূমিকায় আবারও সহ অধিনায়ক কোহলির মঞ্চে অবতরণ। ৩৯ রানে কোহলির অনবদ্য হাফ সেঞ্চুরির সৌজন্যে ভারত ২০ ওভারে শেষ পর্যন্ত ১৫৯ রানের ভদ্রস্থ লক্ষ মাত্রা দাঁড় করায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে। ম্যাচের সেরাও তিনি। ভারতীয় ব্যাটিং বর্তমান ব্লু আইড বয় বিরাট কোহলিকে যোগ্য সঙ্গত দেন আর এক তরুণ তূর্কী সুরেশ রায়না। শেষ পাতে ১৮ রান যোগ করেন অধিনায়ক ধোনি।

জবাবে খেলতে নেমে অপ্রাত্যাশিত ভাবে ভারতকে চাপের মুখে ফেলে দেয় আফগানরা। জাহির খান সহ বাকি দুই ভারতীয় পেসারকে বেশ স্বচ্ছন্দ্যেই খেলেতে শুরু করেন করিম সাদিক এবং আসগার স্টানিকজাই। কারিম যখন মোটামুটি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছেন তখন বল হাতে হাল ধরেন যুবি। তাঁর বলেই ব্যক্তিগত ২৬ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন করিম। ব্যাট হাতে সফল হতে না পারলেও বল হাতে কিন্তু কামাল করেন যুবরাজ। ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলেনেন ৩ টে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। এরপর ১৯.৩ ওভারে ১৩৬ রানে আফগান ইনিংস থমকে গেলেও তাঁদের লড়াকু মানসিকতা উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকল।





Post Your Comment

Total Comments:1

congratulation of 24ghanta team for news..................

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।