আইএফএ-র বিরুদ্ধে `যুদ্ধে` ছোট ক্লাবেরা

Update: November 6, 2012 20:18 IST

এবার আইএফএ-র বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করতে চলেছে কলকাতা লিগে খেলা ছোট ক্লাবগুলি।প্রতি বছর আইএফএ-র বদান্যতায় ঘরোয়া লিগ দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়। যার ফলে ছোট দলগুলির বাজেট সাধ্যের বাইরে চলে যায়। এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে কলকাতার আইলিগের ক্লাবগুলি বাদে বাকি ষোলটি ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিরা এদিন বৈঠকে বসেছিলেন ভবানীপুর ক্লাবতাঁবুতে।

ক্লাবগুলি এই মরসুমে  নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে লিগ শেষ করার জন্য আবেদন জানাবে আইএফএর কাছে। সেই নিশ্চয়তা না পেলে লিগ বয়কটের পথেও হাঁটতে পারেন তাঁরা। প্রিমিয়ার লিগ খেলা ছোট ক্লাবগুলি এবার আইলিগের ক্লাবগুলির ঢঙে একটি সংগঠনও করতে চাইছে। প্রয়োজনে এই আন্দোলনে কলকাতার তিনটি আইলিগের ক্লাবের সাহায্যও চাইবে ছোটক্লাবগুলি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।