সুপার সানডে`র শিল্ড ডার্বি ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে

Update: March 16, 2013 19:33 IST

কাল, রবিবার আইএফএ শিল্ডের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল। ফ্লাডলাইটে হতে চলা এই ম্যাচ ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে। চলতি মরসুমে দুবার ডার্বি হয়েছে। যার মধ্যে একবার ভেস্তে গিয়েছে দর্শক হাঙ্গামায়। দ্বিতীয়বার আয়োজক মোহনবাগান টিকিটের দাম অনেকটা বাড়িয়ে দেওয়ায় মাঠে দর্শক সংখ্যা একেবারেই ডার্বিসুলভ ছিল না। আই লিগে সেই ডার্বি ম্যাচ গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয়। এবার আইএফএ শিল্ডের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। যেখানে টিকিট বিক্রি থেকে শুরু করে দর্শক নিরাপত্তা সব দায়িত্বই রাজ্য ফুটবলের নিয়ামক সংস্থার। টিকিট বিক্রির বর্তমান পরিস্থিতিতে যুবভারতী পরিপূর্ণ হওয়ারই পূর্বাভাস মিলছে।

নয়ই ফ্রেবুয়ারির পর শিল্ডের সেমিফাইনালে রবিবার আবার ডার্বি ম্যাচ। একমাস আগে মরগ্যানের দলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে মোহনবাগানের লক্ষ্য ছিল অন্তত এক পয়েন্ট। একমাস পর অবশ্য বদলে গেছে সবুজ বাগানের পুরো চিত্রটাই। বড়ম্যাচে নামার আগে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে মোহনবাগান ফুটবলাররা। ওডাফাদের মতই চনমনে কোচ করিম বেঞ্চিরিফাও। শিল্ডের সেমিফাইনাল। তাই এখানে অঙ্ক একটাই। জিতে জায়গা করে নিতে ফাইনালে।সুপার সানডে-তে শিল্ডের মেগা সেমিফাইনালের আগে মোহনবাগান কোচ বলছেন, ৯ ফ্রেবুযারীর ডার্বির পারফরম্যান্সে কিছুটা উন্নতি করতে পারলেই,তারা তাদের লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবেন।


যুবভারতীতে বড়ম্যাচের ইতিহাসে সবচেয়ে কম দর্শক হয়েছিল নয়ই ফ্রেবুযারী শেষ ডার্বিতে। পঁচিশ হাজার দর্শক সেদিন মাঠে এসেছিলেন। যা বড়ম্যাচের পরিবেশের সঙ্গে একেবারেই মানানসই নয়। রবিবারের ডার্বিতে অবশ্য যথেষ্ট দর্শক হবে বলে মনে করছেন আইএফএ সচিব উত্‍পল গাঙ্গুলি।
 
নিরাপত্তার দিক থেকে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন আইএফএ সচিব। রবিবার দর্শকদের সচতেন করতে কাগজে বিজ্ঞাপনও দিচ্ছে তারা। বিকেল চারটে সময়ই খুলে দেওয়া হবে স্টেডিয়ামের গেট। তাই আইএফএ সচিবের আবেদন ঝামেলা এড়াতে যত দ্রুত সম্ভব যেন দর্শকরা মাঠে আসেন। আর খেলার স্পিরিট বজায় রেখে খেলা দেখেন।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।