প্রতিবাদের নয়া পন্থা, গাড়ি কিনে আগুন ধরাল এমএনএস

Update: March 1, 2013 16:45 IST

অভিনব প্রতিবাদ! ট্যাঁকের কড়ি খসিয়ে শুধুমাত্র নতুন গাড়ি কিনে তাতে আগুন ধরিয়ে প্রতিবাদের অভিনব পন্থা আবিষ্কার করল মহারাষ্ট্র নবনির্মান সেনা। বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে রাজ ঠাকরের এমএনএসের সঙ্গে শরদ পাওয়ারের এনসিপির কর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ বাঁধে। আহমেদনগরের কাছে এমএনএস সুপ্রিমো রাজ ঠাকরের গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর এনসিপির সমর্থকরা পাথর ছোঁড়েন বলে অভিযোগ। এরপরেই কিছু এমএনএস সমর্থক দলীয় নেতার `হেনস্থা`-র প্রতীকী প্রতিবাদ জানাতে একটি গাড়ি কিনে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন।

মধ্য মুম্বইয়ের কুরলার এলবিএস মার্গে একটি সেকেন্ড হ্যান্ডেড মারুতি ৮০০-এ আগুন ধরিয়ে দেন নবনির্মান সেনার সমর্থকরা। কুরলা থানায় চারজন নবনির্মান সেনার কর্মীদের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়। তদন্তে জানা যায় আগুন ধরাবার আগে ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে ওই চারজন এই গাড়িটি কিনে এনেছিল। এই ঘটনায় মুম্বইয়ের বিভিন্ন অঞ্চলে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। যদিও এমএনএসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই প্রতিবাদ `স্বতঃস্ফূর্ত`।

অন্যদিকে, এনসিপির মুখপাত্র নবাব মালিক রাজ ঠাকরের গাড়িতে পাথর ছোঁড়ার ঘটনায় তাঁদের দলীয় কর্মীদের যুক্ত থাকার ঘটনা অস্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন এমএনসির কর্মীরাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন।

মহারাষ্ট্র জুড়ে দুই দলের মধ্যে বিরোধ শুরু হয় রাজ ঠাকরের পাওয়ার কে নিয়ে একটি মন্তব্যকে ঘিরে। রাজ্য জুড়ে চলা খরার প্রকোপের জন্য শরদ পাওয়ারের বিরুদ্ধে ওঠা ৭০,০০০কোটি টাকার সেচ দুর্নীতিকেই দায়ি করেছিলেন তিনি।



Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।