বীরু-গোতি জাদুতে লাঞ্চের আগে ভারতের স্কোর ১২০/০

Update: November 15, 2012 12:16 IST

বহু প্রতীক্ষিত ভারত-ইংল্যন্ড প্রথম টেস্ট শুরু হয়ে গেল। আহমেদাবাদে আজ টসে জিতে ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। দিনের শুরু থেকেই মোতেরার ব্যাটিং সহায়ক পিচে বীরু-গোতি ম্যাজিক। ভারতীয় ইনিংসের যথাযত সূচনা করলেন এই দুজন। এই দুই মহারথীর ব্যাটে ভর করে মধ্যাহ্ন ভোজনের আগে টিম ইন্ডিয়ার স্কোর বিনা উইকেটে ১২০। রানের খরা কাটিয়ে আবার বীরেন্দ্র বিক্রমে হাজির সহবাগ। সেরে ফেললেন কেরিয়ারের ৩৩ তম অর্ধশতরান। রীতিমত ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট চালিয়ে তাঁর সংগ্রহ ৭৯ রান। নিয়েছেন মাত্র ৬৬ বল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত একটি শটও তারাহুরো করে নেননি তিনি।। অন্যদিকে গৌতম গম্ভীর অনেক সংযত। এখনও পর্যন্ত তাঁর সংগ্রহ ৩৭ রান। গত কয়েকটি সিরিজের ওপেনার সমস্যায় জর্জরিত ভারতীয় ক্রিকেট টিমের মুখে অন্তত্য তাৎক্ষনিক হাসি ফুটল।

অপরদিকে কারোর পৌষমাস, কারোর সর্বনাশ। সিরিজের শুরু নিয়ে তাই স্বাভাবিক ভাবেই হতাশ ইংল্যন্ড টিম। এখনও পর্যন্ত ইংল্যন্ডের সমস্ত ফাস্ট বোলারকেই মোতেরার পিচে ভীষণ রকম অকার্যকর লেগেছে। একদম শুরুতে ভাল বোলিং শুরু করলেও সেহয়াগের ব্যাটিং-এর কাছে সমস্ত ব্রিটিশ প্রতিরোধ খড়কুটোর মত উড়ে গেছে। তবে এরই মধ্যে সোয়ান কিছুটা ছাপ ফেলতে পেরেছেন।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।