ইতালীয় নাবিকদের বিচারে বিশেষ আদালত গঠন: সুপ্রিম কোর্ট

Update: January 18, 2013 16:50 IST

ভারতীয় মৎস্যজীবী হত্যায় অভিযুক্ত দুই ইতালীয় নাবিকের মামলা চালানোর জন্য বিশেষ আদালত গঠন করা হতে পারে বলে জানান সুপ্রিম কোর্ট। ইতালীয় নাবিকদের আর্জি প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালত জানায় এই ঘটনায় কেরল পুলিসের আওতায় অভিযুক্তদের রেখে বিচার চালানোর কোনও এক্তিয়ার নেই।

আর্ন্তজাতিক জলসীমায় গুলি চালনার ঘটনাটি ঘটায় এই জটিলতার কারণ। দুই ভারতীয় মৎস্যজীবীর খুন হওয়ার জন্য ভারতীয় বিচার ব্যবস্থার আওতায় অভিযুক্তদের বিচার চলতে পারে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলচনাক্রমে কেন্দ্রকে বিশেষ আদালত গঠনের জন্য নির্দেশও দিয়েছে শীর্ষ আদালত। গত বছর ফেব্রুয়ারিতে এনরিকা কার্গো জাহাজের দুই নাবিক ভারতীয় মৎস্যজীবীর ওপর গুলি চালায়।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।