বিক্ষোভের মাঝেই দিল্লির মন জিততে উন্নয়নেই জোর মোদীর

Update: February 6, 2013 19:31 IST

ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতিতে ক্ষতি হয়েছে দেশের। দিল্লির শ্রীরাম কলেজ অফ কমার্সে বক্তব্য রাখতে ফিয়ে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর গলায় উন্নয়নের সুরই ভেসে এল। নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর আর্জি, ভারতকে বিশ্বের দরবারে `ব্র্যান্ড` হিসেবে তুলে ধরতে অগ্রনী ভূমিকা নিন তাঁরা। তিনি বলেন, "সব সমস্যার সমাধান উন্নয়ন। ভোট ব্যাঙ্কের কেন্দ্রিক রাজনীতি করতে গিয়ে দেশ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। আমাদের প্রয়োজন উন্নয়নের। উন্নয়নের মাধ্যমেই দেশের অগ্রোন্নয়ন সম্ভব।"

নিজের রাজ্যে প্রশাসনের ভূয়সী প্রশংসা করে মোদীর দাবি গুজরাটের মডেলে চললে ভারতের অর্থনৈতিক উন্নতি সম্ভব।

তবে মোদী বিরোধী বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল দিল্লি শ্রীরাম কলেজ অফ কমার্স চত্ত্বর। কলেজের অনুষ্ঠানে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর প্রতিবাদে কলেজের বাইরে বিক্ষোভ দেখায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা। মোদীর বিরুদ্ধে আগেই ছাত্র সংগঠন এআইএসএফ বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করায় সকাল থেকে কড়া নিরাপত্তা ছিল শ্রীরাম কলেজ চত্ত্বরে। কিন্তু নজরদারি সত্ত্বেও ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। পুলিসের ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। গো-ব্যাক মোদী স্লোগানের মাঝেই কলেজে পৌঁছন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী। শ্রীরাম কলেজের আলোচনা চক্রে প্রধান বক্তা নরেন্দ্র মোদী। অনুষ্ঠানে থাকছেন কলেজের ছাত্র এবং অধ্যাপকরা।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।